মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Friday, 17 July 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
17 July 2026
অন্যান্য

মার্কিন হামলার জবাবে কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনে ইরানের পাল্টা হামলা

ইরানে টানা মার্কিন হামলার পর পাল্টা জবাব হিসেবে কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে ইরান। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে কাতারের রাজধানী দোহায় একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। একই সময়ে কুয়েত ও বাহরাইনেও হামলার ঘটনা ঘটে, যার পরিপ্রেক্ষিতে দেশগুলোতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়।

বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে জিও নিউজ জানায়, দোহার বিভিন্ন এলাকায় ভোরে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। হামলার পর নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

তবে পরে কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটিকে লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে কাতারের সশস্ত্র বাহিনী। এর কিছু সময় পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে এবং তাৎক্ষণিক হুমকি কেটে গেছে। কাতার নিউজ এজেন্সির (কিউএনএ) বরাতে জনগণকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

অন্যদিকে কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার ভোর থেকে দেশটির আকাশসীমায় শনাক্ত হওয়া ৩২টি 'শত্রু ড্রোন' সফলভাবে ভূপাতিত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্নেল সৌদ আবদুলআজিজ আল-আতওয়ান বলেন, ড্রোনগুলোর ধ্বংসাবশেষ কয়েকটি আবাসিক এলাকায় পড়ে কিছু বসতবাড়ি ও স্থাপনার ক্ষতি করেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের হামলায় কুয়েতের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিমান হামলার সতর্কসংকেত জারি করে জনগণকে শান্ত থাকার পাশাপাশি নিকটস্থ নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের দাবি, বাহরাইনের সাখির বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন হেলিকপ্টার ও গোয়েন্দা নজরদারি বিমানকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কায় উদ্বেগ প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকরা।