মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Tuesday, 21 July 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
19 July 2026
অন্যান্য

স্থানীয় নির্বাচনে কারা অংশ নেবেন, তা নির্ধারণ করবে ইসি: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবেন, সে সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও আদালতের ওপর নির্ভর করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, প্রচলিত আইন অনুযায়ী ইসিই নির্ধারণ করবে কে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, আর কে পারবেন না।

রোববার (১৯ জুলাই) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশনে বিএনপির ২০২৫ সালের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়া শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান রুহুল কবির রিজভী। এদিন দুপুরে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে হিসাব জমা দেন । এসময়য় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদু্জ্জামান মিল্লাত, সহ-দপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে আটকাতে ইসিতে চিঠি দিয়েছে জামায়াত। এ বিষয়ে বিএনপির অবস্থান কি সম্পর্কে জানতে চাইলে রিজভী বলেন, এবারের নির্বাচন দলীয় প্রতীকের ভিত্তিতে হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কে করবে, না কারবে, এটা আদালতের বিষয়, এটা নির্বাচন কমিশনের বিষয়। কি আইন আছে দেখে, সে অনুযায়ী তারা নির্ধারণ করবেন। অন্য রাজনৈতিক দল কি বললো, না বললো সেটা বিষয় না, প্রচলিত আইন ও এখন যে আইন-প্রনয়ণ করা হয়েছে, সে আইন অনুযায়ী কারা নির্বাচনে যাবেন, না যাবেন সেটা সম্পূর্ণ দেখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। আমরা তার কাছে ছেড়ে দিলাম।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবারতো দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আমাদের প্রার্থিতা কিভাবে হবে তা আমাদের দলের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম জানাবেন। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

স্থানীয় সরকা্র নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীতা সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে কিনা্ এমন প্রশ্নের জবাবে রুহুল কবির রিজভী বলেন, এ ব্যাপারে দলীয় নীতির বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত হলে জানাব।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে প্রশ্নের জবাবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, জুলাই বিপ্লব এ দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য। এটি বিএনপির নেতৃত্বে রাজনৈতিক দলগুলো ১৭ বছর করেছিল তার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমে এসেছিল, আত্মহুতি দিয়েছিল, নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিল। যে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন, সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃবহাল ইস্যূ নিয়ে বিএনপির নেতৃত্বে রাজনৈতিক দল করেছিল তার বিজয় হয়েছিল যখন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্ররা নেমে এসে, যার সঙ্গে সব রাজনৈতিক দল, শিক্ষার্থীদের বাবা-মা সবাই মিলে যে অভূত পূর্ব গণবিপ্লব আমরা দেখেছি, সেটি নিঃসন্দেহে নজিরবিহীন ঘটনা এবং ইতিহাসের উজ্জল নক্ষত্র হিসেবে থাকবে।