20 July 2026
২০১ গম্বুজ মসজিদ নিয়ে অপপ্রচার বন্ধে সহযোগিতা কামনা প্রতিষ্ঠাতার

নগদা শিমলা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে নির্মাণাধীন ২০১ গম্বুজ মসজিদ ইতোমধ্যে গোপালপুর উপজেলা ও টাঙ্গাইল জেলার পরিচিতি দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ মসজিদটি দেখতে আসছেন। বিদেশ থেকেও পর্যটকরা আসছেন। সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরকালে বাংলাদেশের বিভিন্ন ঐতিহ্যের সঙ্গে ২০১ গম্বুজ মসজিদের ভিডিও চিত্রও প্রদর্শিত হয়, যা বাংলাদেশের জন্য একটি গৌরবের বিষয়।
২০১ গম্বুজ মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর। এর সঙ্গে কোটি কোটি মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি গুটি কয়েক স্বার্থান্বেষী মানুষ নিজের স্বার্থ উদ্ধার করতে না পারায়, সম্প্রতি মসজিদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট দিয়ে আসছে যা ইসলাম ধর্ম অবমাননার সামিল।
রফিকুল ইসলাম আরো বলেন, ২০১ গম্বুজ মসজিদটি সম্পূর্ণভাবে বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে নির্মাণাধীন। বিদেশি কোনো সংস্থা বা সরকারের সরাসরি অর্থায়ন এখানে নেই। ফলে দুর্নীতির অভিযোগেরও কোনো ভিত্তি নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার পাশাপাশি মসজিদের নির্মাণকাজ বাধাগ্রস্ত করাই তার উদ্দেশ্য।
প্রতিষ্ঠাতা বলেন, কিছু মানুষের অভিব্যক্তি দেখে মনে হচ্ছে মসজিদ নির্মাণ করে, গোপালপুরকে বিশ্ব দরবারে তুলে পরিচিতি এনে দিয়ে এবং স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেয়ায় আমি অনেক অন্যায় করে ফেলেছি।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর ও ভুঞাপুর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
গোপালপুরের সুনাম বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে ২০১ গম্বুজ মসজিদের নির্মাণকাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, গণমাধ্যম এবং সর্বস্তরের জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।
গোপালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, ২০১ গম্বুজ মসজিদ নিয়ে অপপ্রচারের নিন্দা জানাই, এটা একটা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। ২০১ গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বে গোপালপুরকে পরিচিত করেছে। এই মসজিদটি সারাদেশের মানুষ দেখতে আসে। এক শ্রেণীর স্বার্থান্বেষী মহল নিজের স্বার্থ উদ্ধার করতে না পেরে মসজিদ নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে গোপালপুরের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে।
