মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Wednesday, 22 July 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
21 July 2026
অন্যান্য

সব মামলায় তৌহিদ আফ্রিদির জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

ঢাকার ওয়ারী থানায় দায়ের করা প্রতারণা ও অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের মামলায়ও জামিন পেয়েছেন বেসরকারি টিভি চ্যানেল মা ই টিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথীর ছেলে ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। এর আগে দায়ের হওয়া অপর দুই মামলায়ও জামিন পাওয়ায় তার কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে তৌহিদ আফ্রিদির পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী ইকবাল মাহমুদ শোভন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন বলে জানান ওই আইনজীবী।

আইনজীবী ইকবাল মাহমুদ শোভন বলেন, তৌহিদ আফ্রিদির বিরুদ্ধে মোট তিনটি মামলা করা হয়েছিল। এর মধ্যে দুই মামলায় তিনি আগেই উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন। মঙ্গলবার ওয়ারী থানার মামলাতেও জামিন পাওয়ায় তিন মামলাতেই জামিন নিশ্চিত হয়েছে। ফলে তার মুক্তিতে আর কোনো আইনগত বাধা নেই।

এর আগে গত বছরের ২৪ আগস্ট রাতে বরিশাল থেকে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি পুলিশ। পরে তাকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

ওয়ারী থানার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ওয়ারী থানার এসআই মো. মাহফুজুর রহমান। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৫ জুন তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সৈয়দা আশফাহ তোয়াহা দ্যুতি গত বছরের ১৩ জানুয়ারি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং কাজের প্রস্তাব পান। ফাতেমা ঐশী নামে পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি তাকে গুগলে রিভিউ দেওয়ার কাজ করতে বলেন এবং এ জন্য টেলিগ্রাম অ্যাপ ব্যবহারের পরামর্শ দেন।

পরদিন কাজের পারিশ্রমিক হিসেবে দ্যুতিকে ৩০০ টাকা পাঠানো হয়। পরে লিসা নামের এক ব্যক্তি তাকে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত করেন। সেখানে অন্য সদস্যদের টাকা পাঠিয়ে মুনাফাসহ অর্থ ফেরত পাওয়ার স্ক্রিনশট দেখে দ্যুতি আশ্বস্ত হন।

এরপর তিনি লিসার দেওয়া বিকাশ নম্বরে প্রথমে দুই হাজার টাকা পাঠান এবং সেদিনই আসলসহ ২ হাজার ৮০০ টাকা ফেরত পান। পরে গত বছরের ১৫ জানুয়ারি তাকে ৫ হাজার ৩০০ টাকা পাঠাতে বলা হয় এবং আরও কাজ শেখার জন্য অন্য একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, এভাবে বিশ্বাস অর্জন করে বিভিন্ন ধাপে দ্যুতির কাছ থেকে মোট ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা নেওয়া হয় এবং পরে তা আত্মসাৎ করা হয়। এ ঘটনায় দ্যুতি অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে গত বছরের জানুয়ারি মাসে ওয়ারী থানায় মামলা দায়ের করেন।