মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Saturday, 25 July 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
25 July 2026
অন্যান্য

৩০ কোটি ডলারের লেনদেনে এফবিআই তদন্ত, মুখ খুলল এএফএ

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শেষে আর্জেন্টিনা দলের দেশে ফেরার প্রস্তুতির মধ্যেই নতুন বিতর্কে জড়িয়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও ‘চিকি’ তাপিয়া। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফবিআই) তদন্ত করছে। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই তাপিয়ার সঙ্গে কথা বলা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ইনফোবায়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বকাপ শেষে দলের সঙ্গে বুয়েন্স আইরেসে ফেরার আগে বিমানবন্দরে তাপিয়া ও এএফএর কোষাধ্যক্ষ পাবলো তোভিগিনোকে প্রায় ৩০ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ করেন ফেডারেল এজেন্টরা। তাদের বিরুদ্ধে শত শত মিলিয়ন ডলারের স্পন্সরশিপ অর্থ পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। এ ছাড়া তদন্তের অংশ হিসেবে তাপিয়ার মোবাইল ফোন জব্দ এবং তাকে অল্প সময়ের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে এএফএ। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ক্লদিও তাপিয়া বা পাবলো তোভিগিনোকে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো আদালত সাক্ষ্য দেওয়ার নির্দেশ দেয়নি। পাশাপাশি তারা তদন্তের সরাসরি লক্ষ্যও নন বলে দাবি করেছে এএফএ।

সংস্থাটি অবশ্য স্বীকার করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি গ্র্যান্ড জুরির সামনে হাজির হওয়ার জন্য তৃতীয় এক ব্যক্তিকে তলব করা হয়েছে। ওই ব্যক্তি এএফএর কয়েকজন কর্মকর্তাসহ একাধিক ব্যক্তির বিষয়ে তথ্য দিতে পারেন বলে জানানো হয়েছে। তবে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, এএফএর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের কয়েকটি বাণিজ্যিক চুক্তি ও অর্থ স্থানান্তর তদন্তের আওতায় এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব অর্থের লেনদেনে অর্থপাচার বা অন্য কোনো আর্থিক অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

তদন্তকারীদের হাতে থাকা ব্যাংকিং নথিতে কয়েকটি মার্কিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মিলিয়ন ডলারের লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এসব অর্থের একটি অংশ অল্প সময়ের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে রাখা হয়েছিল এবং পরে অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়। লেনদেনগুলোর উদ্দেশ্য ও বৈধতা যাচাই করতেই তদন্ত চালানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তদন্ত নিয়ে নানা দাবি উঠলেও এএফএ এখনো তাদের অবস্থানে অনড়। সংস্থাটির দাবি, ক্লদিও তাপিয়া বা পাবলো তোভিগিনোকে লক্ষ্য করে কোনো বিচারিক নির্দেশ বা আনুষ্ঠানিক আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।