মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Friday, 31 July 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
31 July 2026
অন্যান্য

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে আতঙ্ক নয়, পরীক্ষা করে ব্যবস্থা

বাজারে বিক্রি হওয়া কিছু টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকার বিষয়ে প্রকাশিত এক জরিপের পর ভোক্তাদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিষয়টি বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বিএসটিআই।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) পরিচালিত এক জরিপে সাতটি টুথপেস্টের নমুনার মধ্যে একটিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির তথ্য উঠে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিএসটিআই নিজ উদ্যোগে বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টুথপেস্টের নমুনা সংগ্রহ করে স্বতন্ত্র পরীক্ষাগারে পরীক্ষা শুরু করেছে।

বিএসটিআই জানায়, মাইক্রোপ্লাস্টিক হলো প্লাস্টিক বা অন্যান্য অজৈব পদার্থের অতিক্ষুদ্র কণা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) একে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি উদীয়মান উদ্বেগের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে। এ কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর ব্যবহার সীমিত বা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, বাংলাদেশে বিডিএস ১২১৬:২০১২ (Specification for Toothpaste) অনুযায়ী টুথপেস্টে ক্ষতিকর উপাদান, জীবাণু ও বিষাক্ততার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। পরীক্ষায় কোনো টুথপেস্টে মাইক্রোবিড বা ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোক্তাদের উদ্দেশে বিএসটিআই পরামর্শ দিয়েছে, টুথপেস্ট কেনার সময় উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং বিএসটিআইয়ের সিএম (CM) লাইসেন্স নম্বর যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি অজানা বা অনুমোদনহীন ব্র্যান্ডের পণ্য কেনা থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমদানিকৃত টুথপেস্টের আমদানি ও বাজারজাতকরণেও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বিএসটিআই।