মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Sunday, 02 August 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
01 August 2026
অন্যান্য

খাল খনন শেষে প্রকল্পের অর্ধেক অর্থ সরকারি কোষাগারে দিলেন ইউএনও

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন (ইজিপিপি)-এর অধীনে ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরে খাল খনন ও পুনঃখনন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি স্বচ্ছতার সাথে বাস্তবায়ন করেছে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা প্রশাসন। প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করে বরাদ্দকৃত অর্থের প্রায় অর্ধেক টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, খাল পুনঃখননের ফলে এসব এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন সম্প্রসারণসহ পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা পেয়েছে। খরা মৌসুমে পানির জন্য কৃষকদের হাহাকার করতে হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উল্লেখিত কর্মসূচির আওতায় উপজেলার মহিষাখালী ও গঙ্গাজলী খালের খনন ও পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। জেলা কর্ণধার কমিটির অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী মহিষাখালী খালের ১ দশমিক ৬২০ কিলোমিটার এবং গঙ্গাজলী খালের ২ দশমিক ১০০ কিলোমিটারসহ মোট ৩ দশমিক ৭২০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়েছে। প্রকল্পটির জন্য সরকার ৯৫ লাখ ৮৭ হাজার ৩৩ টাকা বরাদ্দ দেয়। উপজেলা প্রশাসনের দক্ষ পরিকল্পনা, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও স্বচ্ছ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ৪৭ লাখ ৬৫ হাজার ৯৯৬ টাকা সাশ্রয় হয়, যা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রকল্পের সমাপ্তি প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ স্থানীয় উন্নয়ন, সুশাসন এবং সরকারি প্রকল্প স্বচ্ছতার সাথে সুষ্ঠু বাস্তবায়নে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত বলে মনে করছে অনেকে ।

সংশ্লিষ্টরা বলছে, উপজেলা প্রশাসনের জবাবদিহিতামূলক তদারকিতে খাল খননের গুণগতমান ঠিক রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মত কাজ শেষ করে বরাদ্দকৃত প্রায় অর্ধেক অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এতে প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাদের মাঝেও পরবর্তী সময়ে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এ মুহাইমিন আল জিহান বলেন, এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আন্তরিক সহযোগিতা, মাঠপর্যায়ের নিবিড় তদারকিসহ পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল নির্ধারিত গুনগত মান বজায় রেখে জনস্বার্থে সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করা, সেই সাথে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা। কাজ শেষে যে অর্থ সাশ্রয় হয়েছে, তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।