মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Monday, 03 August 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
02 August 2026
অন্যান্য

দুই মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডে ডেভিড ইমন

দেশজুড়ে আলোচিত আর চট্টগ্রামের মূর্তিমান আতঙ্ক শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনকে দুই পৃথক মামলায় ৫ দিন করে সর্বমোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

রবিবার (২ আগস্ট) চট্টগ্রামের বিচারিক আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোতাসিম বিল্লাহ শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার একটি মামলায় পাঁচ দিন এবং হাটহাজারী থানার অন্য একটি মামলায় পাঁচ দিন করে মোট ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ডেভিড ইমনের রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী জানান, জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আসামি ডেভিড ইমন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে প্রতিটি মামলায় ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছিল। বিচারক যুক্তিতর্ক ও মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে প্রতিটি মামলায় পাঁচ দিন করে মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মৃত মো. মুসার ছেলে এই ডেভিড ইমন। সাধারণ এক তরুণ থেকে চাটগাঁর অপরাধ জগতের অন্যতম নিয়ন্ত্রক হয়ে ওঠার পেছনের গল্পটি বেশ বিপজ্জনক।

পুলিশ সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম নগরীতে একাধিক হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা ছিলেন ডেডিড ইমন। তার অপরাধ নামায় রয়েছে দুটি ডবল মার্ডারের রেকর্ড। এছাড়া চাঁদার দাবীতে একাধিক স্থানে গুলি চালানোর ও হামলার ঘটনার নেতৃত্ব দিয়েছেন ইমন৷ বিদেশে আত্মগোপনে থাকা দেশের অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ধরা হতো ।

৫ আগস্টের পর চট্টগ্রাম নগরী ও রাউজান, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী উপজেলা অপরাধের বিস্তার ঘটিয়ে বেশ আলোচিত হন ইমন। পত্রিকায় শিরোনাম হওয়ার পর মোবারক হোসেন হয়ে উঠেন ডেভিড ইমন৷ নগরীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সরোয়ার বাবলা নিহত হওয়ার পর বড় সাজ্জাদ বাহিনী একক ছত্র আধিপত্য বিস্তার করতে থাকলে বাড়তে থাকে ইমনের অপরাধের সংখ্যা৷

এক পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ডেভিট ইমনকে মোস্ট ওয়ানটেড তালিকায় রেখে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করলে গা ঢাকা দেন ইমন। তবে অবশেষে গত বুধবার যশোর ঝুমঝুমাপুর এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে দেশ ত্যাগের চেষ্টা কালে ৩ সঙ্গিসহ গ্রেপ্তার হন ডেভিড ইমন৷

সচেতন মহল বলছে, ডেভিড ইমনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার অত্যাধুনিক অস্ত্রের ভান্ডারের সন্ধান ও অন্যান্য সদস্যদের অবস্থান সনাক্ত করা সম্ভব হবে৷