মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Tuesday, 25 August 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
03 August 2026
অন্যান্য

গ্রামবাসীর দূর্ভোগ লাঘবে সাঁকো নির্মাণ করলেন বিএনপি নেতা

বর্ষায় মরা নদীর পানিতে ডুবে গেছে কালভার্টের দুইপাশের রাস্তা। ফলে স্কুল-মাদ্রাসায় যেতে পারেনা শিক্ষার্থীরা। জমির ফসল ঘরে তুলতে পারছেনা কৃষক। যাতায়াতের পথ না থাকায় এমন ভোগান্তি পোহাচ্ছে গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়নের বিলকাঠো মধ্যপাড়া গ্রামের শত শত পরিবার। বছরের পর বছর এই সমস্যায় ভুগছেন এলাকাবাসী। তবে দূর্ভোগ লাঘবে গ্রামবাসীর পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। তাঁর মহৎই উদ্দ্যোগে সেখানে বাঁশের চারাট দিয়ে সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে।

নিজেদের স্বেচ্ছাশ্রমে সোমবার (৩ আগস্ট) দিনব্যাপী ওই সাঁকো নির্মাণকাজ করেন গ্রামবাসী।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার প্রত্যন্ত অবহেলিত বিলকাঠো মধ্যপাড়া গ্রামের মরা নদীর ওপর নির্মিত কালভার্টের দুইপাশের রাস্তা বর্ষার পানিতে ডুবে গেছে। পাশেই রয়েছে বিলকাঠো প্রাইমারি স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ ও আদর্শ গ্রাম। প্রায় দেড়মাস ধরে চলাচলে অসহনীয় দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন দুইপাড়ের মানুষ। মাত্র ১ কিলোমিটার কাদামাটির কাঁচা রাস্তাটিও চলাচলের অনুপযোগী। মাঝখানে নদীর ওপর কালভার্ট থাকলেও পানিতে নিমজ্জিত।

বিলকাঠো দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আব্দুল মোমিন বলেন, কালভার্টের ডুবন্ত কাঁচা রাস্তা দিয়ে মসজিদে যাওয়া যায়না। শিক্ষার্থীদের বই ব্যাগ সব ভিজে যায়। পারাপারের কোনো ব্যবস্থা নেই। একপর্যায়ে এলাকাবাসীর সাথে আবুল কালাম আজাদ ভাইয়ের স্মরণাপন্ন হই। তিনি নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের সাথে বাঁশের সাঁকো করে দেয়ায় অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।

স্থানীয় কৃষক আব্দুল গফুর, মঞ্জিল মোল্লা, খবির মন্ডল ও শফিকুল ইসলাম বলেন- "বর্ষা এলেই মরা নদীর পানি বাড়ে। এসময় চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি কালভার্টসহ ডুবে থাকে। ছেলে মেয়েরা স্কুলে যেতে পারেনা। আমরা ফসল ঘরে তুলতে পারিনা। অবশেষে আজাদ ভাইয়ের উদ্দ্যোগে ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের বাঁশের সাঁকো পেয়েছি। এখন চলাচলে দূর্ভোগ কমেছে।"

বিএনপি নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজের নির্দেশনায় বিলকাঠো মধ্যপাড়ার কাঁচা রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য আবেদন করা হয়েছে। কাজ চলমান আছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তার কাজ শুরু হবে বলে আশা করেন তিনি।