11 August 2026
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপাক্ষিক সফর এবং দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য পৃথকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, সোমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারের একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের পাশাপাশি দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনেও অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে আরও তথ্য জানানো হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তবে ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের বিষয়ে বাংলাদেশ এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে এর আগে জানিয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
সোমবার ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ব্রিকস সম্মেলনে সরাসরি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বরং বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এর আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। বাংলাদেশে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার দিনই ওই চিঠি হস্তান্তর করা হয়। সেই চিঠিতে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ফলে এ বিষয়ে একটি পৃথক আমন্ত্রণ রয়েছে, যা বাংলাদেশ সরকার পর্যালোচনা করবে।
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্ব অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ওই পর্বে বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
তবে ওই আমন্ত্রণপত্রে তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি; সেখানে তাকে বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এর পাশাপাশি, ভারতের প্রধানমন্ত্রী পৃথক একটি চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে দ্বিপাক্ষিক সফরে দিল্লি যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ফলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভারত থেকে দুটি পৃথক আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে—একটি দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য এবং অন্যটি ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য।
