মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Wednesday, 12 August 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
12 August 2026
অন্যান্য

ফাঁকা কক্ষে চলছে এসি-ফ্যান, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে বিদ্যুৎ অপচয়ের অভিযোগ

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নানা নির্দেশনা থাকলেও রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এর ব্যতিক্রম চিত্র দেখা গেছে। কর্মকর্তা-কর্মচারী না থাকলেও কয়েকটি কক্ষে দীর্ঘ সময় ধরে এসি ও ফ্যান চলতে দেখা গেছে। এতে সরকারি বিদ্যুতের অপচয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীলতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের ভাণ্ডার শাখায় গিয়ে দেখা যায়, উপ সচিব দুরুল হোদার কক্ষটি ফাঁকা। কক্ষে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী না থাকলেও শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) চালু ছিল। একই সঙ্গে চলছিল ফ্যানও।

সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কক্ষে না থাকলে অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখার কথা। কিন্তু ফাঁকা কক্ষে দীর্ঘ সময় এসি-ফ্যান চলায় সরকারি অর্থে পরিচালিত বিদ্যুতের অপচয় হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সেবাগ্রহীতাদের প্রশ্ন, কর্মকর্তা-কর্মচারী না থাকা অবস্থায় যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টা এসি-ফ্যান চালু থাকে, তাহলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন হবে কীভাবে? তাদের মতে, সরকারি দপ্তরে বিদ্যুৎ ব্যবহারে নিয়মিত নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

অভিযোগ রয়েছে, অফিস কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারী না থাকলেও অনেক সময় এসি, ফ্যান ও লাইট চালু রাখা হয়। এতে একদিকে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে পড়ছে।

এ বিষয়ে উপসচিব দুরুল হোদার কাছে বিদ্যুৎ অপচয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমার বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে সচিবকে জানান। আমি এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাই না।”

সংশ্লিষ্টরা সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে আরও কঠোর নজরদারি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী অনুপস্থিত থাকলে এসি, ফ্যান ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখার কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান।