মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Friday, 14 August 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
14 August 2026
অন্যান্য

মানুষ নামাজে এসে বলে গ্যাস নাই, গ্যাস দেন: জামায়াত আমির

জনজীবনের বিভিন্ন সংকট নিয়ে সরকারের সমালোচনা করে সংসদের জরুরি অধিবেশন আহ্বানের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ নামাজে এসে তাঁর কাছে গ্যাস ও পানির সংকটের কথা জানাচ্ছেন। পাশাপাশি বিদ্যুৎ, জ্বালানি, আইনশৃঙ্খলা, দ্রব্যমূল্য, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর মিরপুরের পীরেরবাগে নিজ নির্বাচনী এলাকায় জুমার নামাজ আদায় করেন জামায়াত আমির। নামাজ শেষে স্থানীয় শিশু-কিশোর ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নামাজে আসা মানুষ তাঁর কাছে গ্যাস ও পানির সংকটের কথা জানাচ্ছেন। শহরাঞ্চলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো হলেও গ্রামাঞ্চলের মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জনগণের চলমান সংকট নিয়ে সংসদে অর্থবহ আলোচনা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি জানান, সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছেন। তাঁর ভাষায়, বিরোধী দলের দায়িত্ব হলো সরকারকে ভালো কাজে সহযোগিতা করা। সরকার কোনো উদ্যোগ নিলে তাঁরা সহযোগিতা করবেন বলেও জানান তিনি।

সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, দেশে বর্তমানে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংকট, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, চুরি-ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন মাত্রার দুর্নীতি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ রয়েছে। সরকারের লোকেরাই দুর্নীতি কমার পরিবর্তে বেড়েছে বলে স্বীকার করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

নির্বাচনের পর পরিস্থিতির উন্নতি হবে—বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরও কেন জনজীবনের সংকট কমার বদলে বাড়ছে। ছয় মাস পার হয়ে গেলেও পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সরকার চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে এবং দ্রব্যমূল্য ও গ্যাস সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন জামায়াত আমির। তাঁর মতে, সরকারের কিছু ভালো উদ্যোগ থাকলেও জনজীবনের চলমান দুর্ভোগের কারণে সেগুলো মানুষের কাছে গুরুত্ব হারাচ্ছে।