মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Monday, 17 August 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
15 August 2026
অন্যান্য

গুম-খুন ও নির্যাতিত পরিবারের সহায়তায় নতুন পরিকল্পনা

গত ১৭ বছরে গুম, খুন ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোকে রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। এসব পরিবারের কল্যাণ ও সহায়তায় নতুন একটি অধিদপ্তর গঠন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোকে গেজেটভুক্ত করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আহমেদ আজম খান বলেন, ‘নির্যাতিতদের পরিবারগুলোর জন্য সরকার কিছু করতে চায়। এ-সংক্রান্ত নতুন করে একটি অধিদপ্তর করা হবে এবং তাদের গেজেটভুক্ত করে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।’

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে তড়িঘড়ি করে যেসব গেজেটের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছিল, বঞ্চিতদের মূল্যায়নের জন্য সেগুলো পুনরায় চালু করা হয়েছে। বিগত সরকারের সময়ে তালিকা থেকে বাদ পড়া বিএনপি নেতাকর্মীদের বিষয়েও পর্যালোচনা করে মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের জমে থাকা সমস্যা কয়েক মাসের মধ্যে সমাধান করা সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও অর্থনৈতিক সংকটের জন্য তিনি বিগত সরকারের নীতিকে দায়ী করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ পুনর্গঠনে বদ্ধপরিকর। সব ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করবে।

প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণ করে আহমেদ আজম খান বলেন, খালেদা জিয়া জীবিত অবস্থায় যেমন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন, মৃত্যুর পরও তিনি ইতিহাসের অংশ হয়ে আছেন। তার জানাজায় বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণকে তিনি দেশের ইতিহাসের বিরল ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি খালেদা জিয়ার সঙ্গে ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা, সেলিনা সুলতানা নিশিতা, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাছের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এবং কৃষক দলের সহসভাপতি জামাল উদ্দিন খান মিলন।