17 August 2026
তদন্তে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখল প্রমাণিত, কেন বহিস্কার করা হবে না জবাব চেয়েছে মন্ত্রণালয়

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গ্রেনেট বাবুকে কেন সাময়িক বহিস্কার করা হবে না মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ। ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখল, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ব্যক্তি স্বার্থে ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় এ কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ ইউপি-১ শাখার উপসচিব জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত ৪ আগষ্টের কারণ দর্শানোর নোটিশ মারফৎ এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়। কারণ দর্শানো নোটিশে বলা হয়, নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলাধীন কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (গ্রেনেট বাবু) এর বিরুদ্ধে সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখল, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ব্যক্তি স্বার্থে ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ৩৪(৪) (খ) ও ৩৪ (৪) ধারায় অপরাধ সংগঠিত করায় কেন তাকে সাময়িক বহিস্কার করা হবে না। নোটিশে আরও বলা হয়, তার জবাব পত্র প্রাপ্তির (১০) কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসক, নীলফামারী এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণ নিশ্চিতকরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
এর আগে, চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গ্রেনেট বাবু’র বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকায় ইউপি চেয়ারম্যানের দখলে ১২ কোটি টাকার খাস জমি শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের জেরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ ইউপি-১ শাখার উপসচিব জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত পত্রে জেলা প্রশাসনকে তদন্তের নির্দেশ দেন। জেলা প্রশাসক ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেয়। সে কমিটি তদন্তে অভিযোগ সত্যতা পেয়েছে বলে প্রতিবেদন প্রেরণ করে। #
