মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Thursday, 20 August 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
20 August 2026
অন্যান্য

বাউফলে কিশোর ব্যবসায়ীকে মারধর, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমাকে মারধর করে, সঙ্গে থাকা টাকা নিয়ে গেছে এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কিশোর মো. আমিনুল ইসলাম (১৭)। পটুয়াখালীর বাউফলে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গুড় ব্যবসায়ী মো. আমিনুল ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোরকে মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. ইয়াছিন হাওলাদার (২২) ও তাঁর সহযোগী সোহান (২৩)-এর বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ল্যাংড়া মুন্সির পোল এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। আহত আমিনুল ইসলাম বাউফল ইউনিয়নের পূর্ব জৌতা গ্রামের মো. হালিম হাওলাদারের ছেলে। তিনি কালাইয়া গুড় বাজারে ব্যবসা করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ইয়াছিন ও সোহান বেশ কিছুদিন ধরে আমিনুলের গুড়ের দোকানে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমিনুলের ওপর ক্ষিপ্ত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।বুধবার বিকেলে আমিনুল দোকান বন্ধ করে কালাইয়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ল্যাংড়া মুন্সির পোল এলাকায় পৌঁছালে ইয়াছিন, সোহানসহ কয়েকজন তার পথরোধ করেন। এ সময় লাঠিসোটা, লোহার পাইপ ও হাতুড়ি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলায় আমিনুল শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হন। এ সময় তার কাছে থাকা গুড় বিক্রির ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি তাকে কালাইয়া বাজারে আর ব্যবসা না করার এবং এ বিষয়ে কাউকে কিছু বললে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা আহত আমিনুলকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. ইয়াছিন হাওলাদার বলেছেন, আমিনুল ইসলামকে আমি মারিনি। আওয়ামী লীগকে পিটাইতেছে। ছাত্র আন্দোলনের সময় পোলাপানের গায়ে যারা হাত দিয়েছে, তাদের পেয়েছি। আমিনুলের একটি ভিডিও স্টেটমেন্ট আমার কাছে আছে। আমি আপনাকে সাক্ষাৎ দেব।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, আমি থানার বাইরে আছি, মামলার সাক্ষ্য দিতে এসেছি। বিষয়টি তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।