মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Thursday, 03 September 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
03 September 2026
অন্যান্য

নিয়মিত সূরা আর-রহমান তিলাওয়াতে সুস্থ হলেন পাকিস্তানি অভিনেতা নওমান ইজাজ

ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইয়ের কঠিন সময়ে নিয়মিত সূরা আর-রহমান তিলাওয়াদ ও প্রার্থনা তাঁকে মানসিক ও আধ্যাত্মিক শক্তি জুগিয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেতা নওমান ইজাজ। সম্প্রতি এক পডকাস্ট অনুষ্ঠানে নিজের ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা ও সুস্থ হয়ে ওঠার গল্প তুলে ধরেন তিনি।

জিও নিউজের এক প্রতিবেদনের বরাতে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুনে নওমান ইজাজের লিম্ফোমা ও একটি টিউমার শনাক্ত হয়। পরে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি টিউমার অপসারণ করা হয়। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী কেমোথেরাপি নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি।

সেই কঠিন সময়ের স্মৃতিচারণ করে নওমান ইজাজ বলেন, রোগ শনাক্ত হওয়ার দিন তাঁর বন্ধু গোহর বাট তাঁকে নিয়মিত সূরা আর-রহমান তিলাওয়াদ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

অভিনেতার ভাষায়, “আলহামদুলিল্লাহ্, আমি যখন সূরা আর-রহমান তিলাওয়াদ শুরু করলাম, পরবর্তীতে চিকিৎসকেরা আর কোনো টিউমার খুঁজে পাননি।”

নওমান ইজাজ বিশ্বাস করেন, তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার পেছনে সূরা আর-রহমানের তিলাওয়াদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একটি ছোট অস্ত্রোপচারের পর নির্ধারিত কেমোথেরাপি শুরু হওয়ার ঠিক আগেই চিকিৎসকেরা তাঁকে জানান, শরীরে থাকা অন্য টিউমারটিও আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

কেমোথেরাপির মতো কষ্টদায়ক চিকিৎসাপদ্ধতির মধ্য দিয়ে না গিয়েই সুস্থ হয়ে ওঠার ঘটনাকে তিনি সৃষ্টিকর্তার রহমত, প্রার্থনা ও এক ধরনের অলৌকিক ঘটনা হিসেবে দেখেন। তাঁর মতে, ক্যানসারের সঙ্গে তাঁর পুরো লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা কোনো অলৌকিক ঘটনার চেয়ে কম নয়।

নওমান ইজাজ আরও জানান, ওই ঘটনার পর থেকে তিনি প্রতিদিন নিয়মিত সূরা আর-রহমান তিলাওয়াদ করে আসছেন। জীবনের এই অধ্যায়কে তিনি তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও গভীরভাবে পরিবর্তনকারী অভিজ্ঞতা হিসেবে মনে করেন।

পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেতা নওমান ইজাজ

নওমান ইজাজ পাকিস্তানের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রবীণ টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র অভিনেতা। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি সঞ্চালনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘পারিজাদ’, ‘সাং-ই-মাহ’, ‘ক্যায়সি তেরি খুদগার্জি’, ‘মায়ি রি’, ‘জ্যাকসন হাইটস’ ও ‘রকিব সে’। চলচ্চিত্রের মধ্যে ‘রামচাঁদ পাকিস্তানি’ (২০০৮) এবং ‘ভিরসা’ (২০১০) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।