মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Saturday, 05 September 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
04 September 2026
অন্যান্য

ভূরুঙ্গামারীতে ধানের গোলা ও খড়ির মাচা থেকে ৪২ বস্তা সার উদ্ধার

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ধানের গোলা ও খড়ির মাচা থেকে ৪২ বস্তায় ২১৫০ কেজি সার উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় অবৈধভাবে সার মজুর করে কৃত্রিম সংকট তৈরির দায়ে ২ ব‍্যক্তিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করে ভ্রাম‍্যমান আদালত। বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যে রাতে উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নে পৃথক এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল হক তারেক।

উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় সারের কোন সংকট না থাকলেও সার মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে আসছিলো কিছু অসাধু ব্যক্তি। গোয়েন্দা সংস্থা হতে প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের মৃত আকবর আলীর ছেলে বেলাল মিয়া ও রমিজ উদ্দিন এর ছেলে মানিক উদ্দিন এর বাড়িতে বৃহস্পতিবার রাতে অভিযানে পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল হক তারেক, উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল জব্বার, সহকারি পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন, ওসি আজিম উদ্দিন ও থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন। অভিযানের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বসতবাড়ির গোয়াল ঘর,খড়ির মাচা, ধানের গোলা থেকে ৪২ টি বস্তায় মোট ১৫০০ কেজি ইউরিয়া ও ৬৫০ কেজি ডিএপি সার উদ্ধার করা হয়।

এবিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল হক তারেক জানান, লাইসেন্স বিহীনভাবে অবৈধ সার মজুদের দায়ে সার ব্যবস্থাপনা আইন-২০০৬ অনুযায়ী বেলাল মিয়া ও মানিক মিয়াকে পৃথকভাবে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়ে তা নগদ আদায় করা হয়েছে। সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানান, উপজেলার সার বিতরণ প্রক্রিয়ায় পুলিশ কঠোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কেউ যাতে ফায়দা নিতে না পারে সে দিকে লক্ষ্য রাখছে পুলিশ।

তবে স্থানীয় কৃষকদের দাবি, আইন অনুযায়ী জেল ও জরিমানার মতো কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হলে অবৈধভাবে সার মজুদের প্রবণতা কমবে এবং প্রকৃত কৃষকেরা সহজে সার পাবেন।