মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Saturday, 05 September 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
04 September 2026
অন্যান্য

প্রতিদিন ডুমুর খেলে মিলতে পারে ৭ স্বাস্থ্য উপকারিতা

পুষ্টিগুণে ভরপুর ডুমুর শুধু সুস্বাদু ফলই নয়, এটি শরীরের জন্যও বেশ উপকারী। ফাইবার, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ এই ফল কাঁচা বা শুকনা—উভয়ভাবেই খাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিমিত পরিমাণে নিয়মিত ডুমুর খেলে শরীরের নানা উপকার মিলতে পারে।

১. হজমশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে

ডুমুরে প্রচুর খাদ্যআঁশ রয়েছে, যা হজমপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতেও এটি ভূমিকা রাখতে পারে। তাই নিয়মিত পেটের সমস্যায় ভুগলে খাদ্যতালিকায় ডুমুর রাখা যেতে পারে।

২. হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী

ডুমুরে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। পাশাপাশি এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিকেলের প্রভাব কমিয়ে হৃদ্‌যন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

৩. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

প্রাকৃতিক চিনি থাকলেও ডুমুরে রয়েছে পর্যাপ্ত ফাইবার। ফলে পরিমিত পরিমাণে কাঁচা ডুমুর খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কিছুটা কমতে পারে। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শুকনা ডুমুর খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা উচিত।

৪. হাড় মজবুত রাখতে ভূমিকা রাখে

ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান ডুমুরে পাওয়া যায়। এসব উপাদান হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৫. ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে

ডুমুরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এতে থাকা বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ ত্বকের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে।

৬. রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে

ডুমুরে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। বিশেষ করে শুকনা ডুমুরে কিছু খনিজ উপাদানের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে।

৭. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক

ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় ডুমুর দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দিতে পারে। ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমতে পারে। তবে শুকনা ডুমুরে ক্যালরি ও প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ বেশি থাকায় পরিমাণ বুঝে খাওয়াই ভালো।

ডুমুর একটি পুষ্টিকর ফল হলেও এটি কোনো রোগের চিকিৎসা নয় এবং ওষুধের বিকল্পও নয়। প্রতিদিন ডুমুর খেলেই নির্দিষ্ট কোনো রোগ সেরে যাবে—এমন দাবির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তাই সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে পরিমিত পরিমাণে ডুমুর খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।