মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Thursday, 17 September 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
17 September 2026
অন্যান্য

বগুড়ায় অনিয়মের অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে বদলির নির্দেশ, স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ

বগুড়ার শেরপুর পৌরসভা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ সালমা খাতুনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে প্রশাসনিক বদলি করার নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। তবে স্থানীয় শিক্ষা প্রশাসন তাকে কাছের ও সুবিধাজনক কোনো বিদ্যালয়ে বদলির সুপারিশ করতে পারে এমন আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শেরপুর পৌরসভা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালমা খাতুনের বিরুদ্ধে আনীত বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী শিক্ষা অফিসার গোলাম আসাদউজ্জামানকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

তিনি তদন্ত শেষে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে প্রধান শিক্ষককে তাৎক্ষণিকভাবে অন্যত্র বদলিসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহা. রেজোগান হোসেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তা রাজশাহী বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষার বিভাগীয় উপপরিচালকের দপ্তরে পাঠান।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাজশাহী বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষার বিভাগীয় উপপরিচালক মোহা. আব্দুস সালাম স্বাক্ষরিত এক স্মারকপত্রে জানানো হয়, গত ৩০ আগস্ট প্রধান শিক্ষক সালমা খাতুনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা (নম্বর: ১৮/২০২৬) রুজু করা হয়েছে। এমতাবস্থায় তাকে প্রশাসনিক বদলি করার প্রয়োজন দেখা দেওয়ায় শেরপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে সংশ্লিষ্ট উপজেলার একটি প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদের প্রস্তাব পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। এদিকে বিভাগীয় মামলার মুখোমুখি হওয়া একজন বিতর্কিত প্রধান শিক্ষককে স্থানীয় পর্যায়েই অপেক্ষাকৃত কাছাকাছি বা সুবিধাজনক কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পদায়নের প্রক্রিয়া চলছে এমন খবরে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা।

তাদের দাবি, অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে লঘু শাস্তি দিয়ে বা স্থানীয়ভাবে পুনর্বাসন না করে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি অন্যত্র বদলি করা উচিত, যাতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার হয়।