মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Sunday, 20 September 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
18 September 2026
অন্যান্য

জাকসুর অনুপস্থিতি শিক্ষার্থীরা অনুভব করবে: জাবি উপাচার্য

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) না থাকলে শিক্ষাঙ্গনে গণতান্ত্রিক চর্চা ও ইতিবাচক প্রতিযোগিতার ঘাটতি তৈরি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ৩০মিনিটে জাকসুর সর্বশেষ কার্যনির্বাহী সভায় ‘চব্বিশের ৩৬ শে জুলাই’ শীর্ষক ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত জাকসু যেভাবে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা বজায় রেখেছে, এর অনুপস্থিতিতে সেই অভাব তৈরি হতে পারে। শিক্ষাঙ্গনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা ও চর্চা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘কোনো সরকারই শেষ সরকার নয় এবং একচ্ছত্র ক্ষমতা কারও জন্য স্থায়ী নয়।’ গণপ্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হলে তার দায় বহন করতে হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতের ইতিহাসেও এর প্রমাণ রয়েছে।

উপাচার্য আরও বলেন, জাকসুর অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থী নেতাদের জন্য এক ধরনের প্রশিক্ষণ। নিয়মিত গণতান্ত্রিক চর্চা, সমমর্মিতা ও সেবামূলক মনোভাব নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে জাকসুর সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বাপ্পি বলেন, ম্যাগাজিনটির নাম ‘৩৬-এ ৩৩’। ২০২৪ সালের ৩৬ জুলাইয়ের চেতনা এবং ৩৩ বছর পর জাকসু ফিরে পাওয়ার বিষয়টিকে প্রতিফলিত করতেই এ নামকরণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘৩৩ বছর পর পাওয়া আমাদের শিক্ষার্থীদের অধিকার, সে অধিকার রক্ষার একমাত্র বৈধ স্টেকহোল্ডার আমাদের জাকসু। আমরা সে জাকসুকে রিফ্লেক্ট করে আমাদের এই ম্যাগাজিনের নাম ‘৩৬-এ ৩৩’ রেখেছি।’

ম্যাগাজিন উদ্বোধনে উপাচার্য বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে নতুন প্রজন্মের অঙ্গীকার, প্রত্যাশা ও গণপ্রত্যাশার প্রতিফলন ম্যাগাজিনটিতে উঠে এসেছে। শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায়গুলো এতে প্রতিফলিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের আশু সুস্থতা কামনা করা হয়। নীতিনির্ধারক ও গণমাধ্যমের প্রতি তরুণদের ‘না-বলা কথাগুলো’ সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে জাকসু ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু, জিএস মাজহারুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।