মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Sunday, 20 September 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
20 September 2026
অন্যান্য

রাশিয়ার ভয়াবহ হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৮, কৃষ্ণ সাগরে একাধিক জাহাজ ধ্বংস

ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও গোলাবর্ষণের ঘটনায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। একই সময়ে কৃষ্ণসাগরে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার দাবিও করেছে রাশিয়া। খবর আল জাজিরার।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানায়, শুক্রবার রাতে রাশিয়া ও রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়া থেকে মোট ১৭৪টি ড্রোন এবং কুরস্ক অঞ্চল থেকে দুটি জিরকন অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।

ইউক্রেনের বিমানবাহিনীর দাবি, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ১৪১টি আকাশপথের লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস বা নিষ্ক্রিয় করেছে। ১৫টি এলাকায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়। পাশাপাশি নয়টি এলাকায় ধ্বংসাবশেষ পড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়ার ছোড়া জিরকন ক্ষেপণাস্ত্র দুটি নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে পারেনি।

এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, কৃষ্ণসাগরে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় ‘গেরান-৪’ সিকার ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। রুশ মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, জাহাজ দুটির একটি ওডেসাগামী ইউক্রেনীয় বাল্ক ক্যারিয়ার এবং অন্যটি ওডেসা বন্দরে নোঙর করা একটি ট্যাংকার। দুটিতেই সামরিক সরঞ্জাম পরিবহন করা হচ্ছিল বলে দাবি করেছে মস্কো।

খারকিভে নিহত ৫

খারকিভ অঞ্চলের গভর্নর ওলেহ সিনিহুভভ জানান, ১৪টি এলাকায় রুশ হামলায় পাঁচজন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়েছেন। বালাকলিয়া ও লিপকুভাতিভকার মতো এলাকাতেও হামলায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

খারসনে নিহত আরও ৩

খারসন অঞ্চলের গভর্নর ওলেকসান্দর প্রকুদিনের তথ্য অনুযায়ী, ২৫টি এলাকায় গোলাবর্ষণে তিনজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। হামলায় বহুতল আবাসিক ভবন, ব্যক্তিগত বাড়িঘর, একটি মোবাইল টাওয়ার এবং গ্যাস পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দনেপ্রোপেত্রোভস্কেও হামলা

দনেপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের প্রশাসনিক প্রধান ওলেকসান্দর গানজা জানান, চারটি এলাকায় ১০টির বেশি হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলায় ড্রোন, গোলাবর্ষণ ও আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য বোমা ব্যবহার করা হয়। এতে অন্তত দুজন আহত হয়েছেন।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাশাপাশি কৃষ্ণসাগরের বাণিজ্যিক ও বন্দর অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠছে। তবে হামলা ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে দুই পক্ষের দাবির সবকিছু স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।