মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Sunday, 20 September 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
19 September 2026
অন্যান্য

ফটিকছড়িতে পরিবারের সদস্যদের হাত-মুখ বেঁধে জিম্মি করে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি 

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় পাইন্দং ইউনিয়নে ঘোগিনাঘাটা এলাকায় সশস্ত্র ডাকাতদল ঘরে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের হাত-মুখ বেঁধে জিম্মি করে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের ঘোগিনাঘাটা এলাকার নুরুল আলম ফোরম্যান নতুন বাড়ির প্রবাসী আরাফাত ও ফরহাদের বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় পরিবারের নারীদের প্রায় সাড়ে ১১ ভরি স্বর্ণালংকার, গাড়ি বিক্রির আড়াই লাখ টাকা, তিনটি মুঠোফোনসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়ার দাবি করেছে পরিবারটি।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, রাত আড়াইটার দিকে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল হাতুড়ি দিয়ে ঘরের দরজার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।

পরে অস্ত্রের মুখে পরিবারের নারী-পুরুষসহ সবাইকে হাত-পা ও মুখ বেঁধে জিম্মি করে। এরপর ডাকাত দলের সদস্যরা ঘরের বিভিন্ন কক্ষে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট ধরে তল্লাশি চালিয়ে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, মুঠোফোনসহ মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়।

পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শী জুবায়দুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ দরজার তালা ভাঙার শব্দ শুনে তারা বিষয়টি টের পান। পরে ডাকাতেরা ঘরে ঢুকে পরিবারের সবাইকে হাত-মুখ বেঁধে ফেলে। দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে তারা মালামাল নিয়ে যায়।

জুবায়েদুল ইসলাম আরও বলেন, প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট তাণ্ডব চালিয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা অস্ত্রের মুখে পরিবারের সবাইকে হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে। পরে ঘরে থাকা সাড়ে ১১ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। তার দাবি, গাড়ি বিক্রির আড়াই লাখ টাকা ও পরিবারের নারীদের স্বর্ণালংকারসহ তিনটি মুঠোফোন লুট করা হয়েছে।

পরিবারের সদস্যদের ধারণা, এ ঘটনায় স্থানীয় পরিচিত কেউ জড়িত থাকতে পারে। এদিকে ডাকাতির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পাইন্দং ইউপি চেয়ারম্যান সরোয়ার হোসেন স্বপন ও স্থানীয় ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দীল মোহাম্মদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা ঘটনা সম্পর্কে কিছু জানেন না বলে জানান।

ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অভিযোগ বা মামলা দেওয়া হলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।