20 September 2026
পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ও জেল হাজতে প্রেরণ

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কাউখালী গ্রামে সপ্তম শ্রেণির এক ১৪ বছর বয়সী মাদরাসাছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় সজল মৃধা (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার সজল মৃধা ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের মো. বাবুল মৃধার ছেলে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে কিশোরীর নানি বাদী হয়ে রাঙ্গাবালী থানায় মামলাটি করেন। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে সজলকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) তাকে রাঙ্গাবালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি দাখিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে নানা বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করত। অভিযোগ অনুযায়ী, মাদরাসায় যাতায়াতের পথে সজল তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্ত করতেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে কিশোরী বাড়ির দোতলায় পড়াশোনা করছিল। এ সময় সজল বাইরে থেকে তার মোবাইল ফোনে কল করেন। পরে বাড়ির দরজা খোলা পেয়ে কৌশলে ভেতরে প্রবেশ করে দোতলায় যান। সেখানে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে। এজাহারে ওই রাত থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগও উল্লেখ করা হয়।
পরদিন সকালে পরিবারের সদস্যরা দোতলায় গিয়ে সজলকে কিশোরীর সঙ্গে দেখতে পান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। বাদীর অভিযোগ, জিজ্ঞাসাবাদের সময় সজল কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলে কিশোরীকে বিয়ে করার কথা বলে সজল সেখান থেকে চলে যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াছ হোসেন মুন্সি বলেন, “শনিবার রাতে কিশোরীর নানি বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সজলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের পর ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো পরীক্ষার পাশাপাশি ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়াও নেওয়া হবে।
