22 September 2026
ইয়েমেনে চলছে তীব্র লড়াই, দুদিনে নিহত ১৫০ জনের বেশি

ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি আরব সমর্থিত সরকারি বাহিনীর মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। এতে মাত্র দুই দিনে দেশটিতে দেড়শরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) হুথি বিদ্রোহীরা জানিয়েছে, তাইজ, আল-জাওয়াফ এবং সা’দাতে সৌদির বিমান হামলা, সম্মুখ লড়াই এবং কামানের গোলার আঘাতে ১১৮ জন নিহত হয়েছেন। অপরদিকে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ৩৬ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে হতাহতের সংখ্যা দেড়শরও বেশি পার হয়ে গেছে।
এদিন সকালে সৌদি আরবের নাজরানে সম্ভাব্য হামলার সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে এ সতর্কতা আবার তুলে নেওয়া হয়। নাজরান সৌদি ও ইয়েমেনের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
হুথিদের দমনে মার্কিন বাহিনীর অভিযান শেষ মুহূর্তে থামালেন ট্রাম্প
হুথি বিদ্রোহীদের দমন করতে অভিযানের উদ্দেশে প্রায় রওনা হয়ে গিয়েছিল মার্কিন বিমান বাহিনী; কিন্তু শেষ মুহূর্তে অভিযান বাতিলের নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। গত রোববার ঘটেছে এ ঘটনা।
এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স এবং প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের অনুরোধে হুথি গোষ্ঠীকে দমনে ইয়েমেনে বিমান অভিযানের নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেই অনুযায়ী রোববার রাতে অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছিল মার্কিন বিমান বাহিনী।
সব প্রস্তুতি শেষে, এমনকি বিমানে বোমা-গোলাবারুদ লোড করার পর যখন অভিযানে যাওয়ার জন্য উদ্যত হন মার্কিন বিমান-সেনারা, সে সময়ে হঠাৎ অভিযান বাতিলের নির্দেশ আসে হোয়াইট হাউস থেকে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বয়ং এ নির্দেশ দেন।
নিউ ইয়র্ক টাইমসে এ সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর এ ব্যাপরে আরও বিস্তারিত জানতে মধ্যপ্রাচ্যে অভিযানরত মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের (সেন্টকম) সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স। সেন্টকমের কর্মকর্তারা রয়টার্সকে হোয়াইট হাউসে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। সেই অনুযায়ী হোয়াইট হাউসেও যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স; কিন্তু হোয়াইট হাউসের কোনো কর্মকর্তা এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সূত্র: এএফপি, রয়টার্স
