মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Thursday, 24 September 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
23 September 2026
অন্যান্য

শেরপুরে ১৪ কোটি টাকার সার কেলেঙ্কারি: ডিলারদের কারাবাসেও স্বাভাবিক সারের বাজার

শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে ১০ বিসিআইসি ডিলারসহ ১৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হলেও স্থানীয় সারের বাজারে এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। বুধবার শহর ও আশপাশের বিভিন্ন বাজার সরেজমিনে পরিদর্শন করে এমন চিত্র পেয়েছে কৃষি বিভাগ।

সারের সরবরাহ, মজুত ও বিক্রয় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা শেরপুরের নিউমার্কেট, কানাশাখোলা বাজার, ইমামবাড়ী বাজার ও কুসুমহাটি বাজারসহ বিভিন্ন সার বিক্রির দোকান ও গুদাম পরিদর্শন করেন। এ সময় দোকান ও গুদামে সারের মজুত, সরবরাহ এবং বিক্রয় পরিস্থিতি যাচাই করা হয়। পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি হচ্ছে কি না, তাও খতিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা।

পরিদর্শনকালে উপজেলা কৃষি অফিসার মুসলিমা খানম নীলু, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার নুসরাত জাহান, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. নিজাম উদ্দীন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আলামিন ও মোহাম্মদ আব্দুল মালেক আকন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, এসব বাজারে সারের সরবরাহ ও বিক্রয় কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। ডিলারদের কারাগারে পাঠানোর পরও বাজারে সারের কোনো সংকট বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি।

এর আগে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে শেরপুর সদর উপজেলার ১৫ ডিলারসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, অধিক মুনাফার আশায় সরকারি বরাদ্দের সার কালোবাজারে বিক্রি করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং কৃষকদের সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য করা হয়েছিল।

মামলার ১৫ আসামি উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেওয়ার পর জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মঙ্গলবার জেলা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে নতুন করে জামিনের আবেদন করেন। পরে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।