মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Saturday, 26 September 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
25 September 2026
অন্যান্য

নিজেদের ড্রোনেই প্রাণ গেল ২ ইসরায়েলি সেনার

গাজা উপত্যকায় অভিযান চালানোর সময় ইসরায়েলি বাহিনীর একটি বিস্ফোরক ড্রোন দুর্ঘটনাবশত বিস্ফোরিত হয়ে দুই রিজার্ভ সেনা নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

নিহতরা হলেন ২৪ বছর বয়সী মাস্টার সার্জেন্ট (রিজার্ভ) নাদাভ কালি এবং ২৩ বছর বয়সী মাস্টার সার্জেন্ট (রিজার্ভ) অফেক মোয়ালেম। তারা দুজনই ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর জেরুজালেম ব্রিগেডের ৭০০৭ ব্যাটালিয়নে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত একটি অবস্থান থেকে দুই সেনা ‘আতালেফ’ নামের ছোট এফপিভি ড্রোন পরিচালনা করছিলেন। একটি ড্রোন নির্ধারিত মিশন সম্পন্ন করলেও দ্বিতীয়টি উড্ডয়নের সময় অজ্ঞাত কারণে সেনা অবস্থানের ভেতরেই বিধ্বস্ত হয়।

প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, কয়েক মিনিট পর দুই সেনা বিধ্বস্ত ড্রোনটির কাছে গিয়ে সেটি তুলে নেন। এ সময় ড্রোনটি বিস্ফোরিত হলে তারা গুরুতর আহত হন। পরে তাদের আশকেলনের বারজিলাই মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার কারণ অনুসন্ধান চলার মধ্যে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বিস্ফোরক বহনে সক্ষম ছোট ড্রোনের ব্যবহার সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। এসব ড্রোনের মধ্যে আত্মঘাতী ড্রোন এবং লক্ষ্যবস্তুতে বিস্ফোরক নিক্ষেপ করতে সক্ষম ড্রোনও রয়েছে।

ইসরায়েলি সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আইয়াল জামির দুর্ঘটনার তদন্তে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। গ্রাউন্ড ফোর্সের একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে ওই কমিটি দুর্ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবে এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা ঠেকাতে সুপারিশ দেবে।

এদিকে, গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এবং হামাসের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে তারা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি বাহিনী গাজা সিটিতে এক হামলায় হামাসের এক কমান্ডার নিহত হওয়ার কথাও জানিয়েছে। সামরিক বাহিনীর দাবি, মাহমুদ আবদ আল-ফাত্তাহ আওয়াদ নামের ওই কমান্ডার যুদ্ধের সময় সাত ইসরায়েলি জিম্মিকে আটকে রাখার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।