মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Sunday, 04 October 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
03 October 2026
অন্যান্য

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং ‘র’ ও ‘ক্রাইম সেটআপের’ ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং ‘র’ ও ‘ক্রাইম সেটআপের আলোচিত দুই গ্রুপের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি পুলিশ)। শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা, ছিনতাই, মাদকসহ একাধিক মামলার আসামিও রয়েছেন। পুলিশ জানায়, কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান পিপিএমের কঠোর নির্দেশনায় ১০ দিন ধরে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশের সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান চলছে। এসব অভিযানে সন্দেহভাজন দুই হাজারের বেশি কিশোরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অপরাধে সম্পৃক্ততা না পাওয়া অনেককে অভিভাবকদের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানের কারণে কিশোর গ্যাংয়ের কয়েকজন শীর্ষ নেতা আত্মগোপনে চলে যায়। এরই মধ্যে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার ও কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ‘র’ ও ‘ক্রাইম সেটআপের’ চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—‘র’ গ্যাংয়ের ইমরান হোসেন রতন (১৯) ও সাইফুল ইসলাম (২০) এবং ‘ক্রাইম সেটআপের’ মো. সাব্বির ওরফে ‘পয়েন্ট সাব্বির’ (২৪) ও রবিউল ইসলাম নবী ওরফে ‘কিং মেকার’ (২৪)।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ইমরান হোসেন রতনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ মোট ৯টি মামলা রয়েছে। সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে ১০টি মামলা চলমান। ‘পয়েন্ট সাব্বিরের’ বিরুদ্ধে একটি এবং ‘কিং মেকারের’ বিরুদ্ধেও একটি মামলা রয়েছে। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব ও সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, ছিনতাই, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, অপরাধে জড়িত কিশোর গ্যাং, তাদের নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি এবং কিশোরদের অপরাধে জড়ানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে সন্তানদের চলাফেরা, বন্ধুবান্ধব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়ে নজর রাখতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।