06 October 2026
কালুখালীতে রেড ক্রিসেন্ট রাজবাড়ী ইউনিটের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে Bangladesh Red Crescent Society(BDRCS) Rajbari Unit -এর উদ্যোগে “ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬” সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) কালুখালী উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে অর্ধ দিনব্যাপী এক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা মূলক কর্মসূচি পালিত হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন: বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ও রাজবাড়ীর জেলা পরিষদ প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া।
কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ইসরাত জাহান উম্মন,বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, রাজবাড়ী ইউনিটের সেক্রেটারি মোঃ নজরুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য, মোঃ আলিমুজ্জামান,আঞ্জুমান আরা বেগম ম্যাডাম, রাজিয়া বেগম,মোঃ আল-আজম আজাদী, মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
কর্মসূচিতে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি রাজবাড়ী ইউনিটের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মিয়ার নেতৃত্বে "ইউনিট কার্যনির্বাহী কমিটি" ও যুব রেড ক্রিসেন্ট রাজবাড়ী ইউনিট -এর যুব প্রধান Abdul Halim Al-Razi Rajbari-Official, উপ-যুব প্রধান ১ Khandakar Nasim Rana এবং উপ-যুব প্রধান ২ Jannatul Sultana এর নেতৃত্বে যুব কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ সহ এক ঝাঁক প্রাণবন্ত তরুণ যুব স্বেচ্ছাসেবক একযোগে অংশ নেন।
অভিযানে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি: চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ এবং করণীয় সম্পর্কে সরাসরি সচেতন করা হয়। হাসপাতালে আগত সেবাগ্রহীতা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে সার্বিক সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে মত বিনিময়, হাসপাতালের ড্রেন ও জমে থাকা নোংরা আবর্জনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিষ্কার করা হয়,প্রাঙ্গণের চারপাশে জমে থাকা অতিরিক্ত ঘাস ও গাছের ডালপালা কেটে পরিষ্কার করা হয়, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস: জমা পানি ও পাত্র অপসারণ করে মশার বংশবৃদ্ধির ঝুঁকি দূর করা হয়, ক্লিনিকের অপ্রয়োজনীয়, পরিত্যক্ত ও বর্জ্য সামগ্রী সরিয়ে ফেলা হয়, রোগী ও স্বজনরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারেন, সেজন্য পরিচ্ছন্ন ও সুসংগঠিত পরিবেশ তৈরি করা হয়।
রেড ক্রিসেন্ট রাজবাড়ী ইউনিটের ইউনিট কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ ও যুব স্বেচ্ছাসেবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পরিচালিত এই মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগটি স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিকট ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
