মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Friday, 09 October 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
09 October 2026
অন্যান্য

চাঁদাবাজি ও দখলবাজি মেনে নেবে না জনগণ: মোবারক হোসাইন

চাঁদাবাজি, দখলবাজি, ক্ষমতার দাপট ও সিন্ডিকেটের রাজনীতি এ দেশের মানুষ মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হোসাইন। তিনি বলেন, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলার দিন শেষ। অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হলে কোনো অপশক্তিই তাদের দমিয়ে রাখতে পারবে না।

শুক্রবার ঝিনাইদহের আলহেরা স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঝিনাইদহ জেলা শাখার রোকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমির ও ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মোহাম্মদ আবুবকরের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল টিমের সদস্য আবদুল মতিন। এ সময় জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আবদুল আলীম ও জেলা সেক্রেটারি আবদুল আওয়ালসহ জেলার রোকন সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মোবারক হোসাইন বলেন, ক্ষমতার দাপট দেখানো, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, সম্পদ লুট, মানুষের সম্মানহানি এবং সিন্ডিকেট বজায় রাখা—এসব অন্যায় এ দেশের মানুষ মেনে নিতে পারে না। এই জাতি অন্যায় ও অত্যাচারকে কখনোই প্রশ্রয় দেবে না। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান থেকে শিক্ষা নিয়ে জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিতে হবে। ক্ষমতার অপব্যবহার ও অন্যায়ের পথে কেউ হাঁটলে তাকে জনগণের প্রতিরোধের মুখোমুখি হতে হবে। জামায়াতে ইসলামী দেশের কল্যাণে কাজ করতে চায়, তবে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন হলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।

সম্মেলনে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবি জানানো হয়। মোবারক হোসাইন বলেন, গণভোটে জনগণের দেওয়া রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের রাজনৈতিক পরিচয় বা পদমর্যাদা বিবেচনা না করে আইনের আওতায় এনে নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, হত্যা ও ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে অপরাধ দমন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আগামী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক দাবি প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে নাগরিক অধিকার, ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ছাত্র, নারী ও সাধারণ মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।