মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Friday, 16 October 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
12 October 2026
অন্যান্য

কুমিল্লার স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যা: কক্সবাজার থেকে আটক কথিত প্রেমিক রাজু

কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তের সূত্র ধরে রাজু নামের এক তরুণকে কক্সবাজার থেকে আটক করা হয়েছে। তাজমিনের কথিত প্রেমিক হিসেবে পরিচিত এই তরুণকে রোববার রাতে কক্সবাজারের কলাতলী এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ। তবে প্রাথমিক তদন্তে তাজমিন হত্যাকাণ্ডে রাজুর সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, এক নাবালিকাকে কক্সবাজারে নিয়ে এসে বিপদের মুখে ফেলে দেওয়া। এর আগে কক্সবাজারের কলাতলীতে একটি রিসোর্টে তাজমিনের অবস্থানের তথ্য সামনে এসেছিল। সেখানে তিনি ‘রাজুর স্ত্রী’ পরিচয়ে উঠেছিলেন বলে জানা গেছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী রাজুকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাগর অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করেন।

তাজমিন হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক অর্ণব জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে হত্যাকাণ্ডে রাজুর সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, কোনো হত্যাকাণ্ডের তদন্তে শুধু হত্যার ঘটনাটিই নয়, এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও বিবেচনায় নিতে হয়। রাজুর ভূমিকা এবং তাজমিনকে কক্সবাজারে নিয়ে আসার বিষয়টি তদন্তের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, একজন নাবালিকা কীভাবে কুমিল্লা থেকে কক্সবাজারে এল, এখানে কার সঙ্গে অবস্থান করল এবং পরে কী পরিস্থিতিতে ফিরে গেল, সেসব বিষয়ও তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জানা গেছে, কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকার কুটুমবাড়ি রোডের শেষ প্রান্তে অবস্থিত মেঘলা রিসোর্টে তিনি অবস্থান করেছিলেন। সেখানে তাকে ‘রাজুর স্ত্রী’ পরিচয়ে রাখা হয়। রিসোর্টের নিবন্ধন খাতায় তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’।

গত ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ভোরে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে জান্নাতুল তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া এই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার দাবি ওঠে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।