মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Wednesday, 21 October 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
13 October 2026
অন্যান্য

ইয়েমেনে হুতিদের ওপর হামলায় সৌদি আরবের সমর্থন চাইছেন নেতানিয়াহু

ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের লক্ষ্য করে হামলা চালাতে সৌদি আরবের অনুমতি আদায়ের চেষ্টা করছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এ লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে রিয়াদকে রাজি করানোর উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। সোমবার (১২ অক্টোবর) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ এক কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়েমেনের দীর্ঘদিনের সংঘাতে ইসরায়েলের সরাসরি হস্তক্ষেপের বিষয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়িয়ে সম্পর্ক এমন পর্যায়ে নিতে চান তিনি, যাতে ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পথ তৈরি হয়।

তবে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) ইয়েমেনে ইসরায়েলের সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে অনাগ্রহী বলে জানিয়েছে হারেৎজ। তার আশঙ্কা, ইসরায়েলি বাহিনী ইয়েমেন যুদ্ধে যুক্ত হলে সৌদি জনগণের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে।

সৌদি আরবের যুবরাজের পাশাপাশি দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন মোহাম্মদ বিন সালমান। ফলে তার সম্মতি ছাড়া ইয়েমেনে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়া কঠিন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক লক্ষ্য। বিশ্লেষকদের ধারণা, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ইসরায়েল ও সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের সম্ভাব্য উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা।

অন্যদিকে, সৌদি আরব বারবার স্পষ্ট করেছে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত না হলে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে দেশটি এগোবে না। তবে সাম্প্রতিক নির্বাচনি প্রচারে নেতানিয়াহু ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করার অঙ্গীকার করেছেন। ফলে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পথে ফিলিস্তিন ইস্যু বড় বাধা হয়ে রয়েছে।

সূত্র: হারেৎজ