মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Thursday, 15 October 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
15 October 2026
অন্যান্য

বদলি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে, অনড় জামালপুর নার্সিং শিক্ষার্থীরা

নতুন ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। টানা তৃতীয় দিনের মতো বৃহস্পতিবারও অনির্দিষ্টকালের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করেন তারা। আন্দোলনের কারণে কলেজের পাঠদান ও হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ বন্ধ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নতুন ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ মাকসুদা ইয়াসমিন কলেজে গেলে তাকে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। এ সময় বদলির আদেশ বাতিলের দাবিতে স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটে দায়িত্ব পালনের সময় মাকসুদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। তার আচরণ নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে তাদের। এ কারণে তাকে জামালপুর কলেজের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ হিসেবে মেনে নিতে চান না তারা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে। তবে মাকসুদা ইয়াসমিনের পরিবর্তে অন্য কাউকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হলে তাদের আপত্তি নেই।

কলেজের নার্সিং ইন্সট্রাক্টর সামিনা আক্তার বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে সাধারণ শিক্ষকেরাও কলেজে প্রবেশ করতে পারছেন না। এতে ক্লাসসহ হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ বন্ধ রয়েছে।

অন্যদিকে, যোগদানে বাধা দেওয়ার পেছনে চক্রান্ত রয়েছে বলে দাবি করেছেন মাকসুদা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের বাধার কারণে যোগদান করতে পারেননি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ অক্টোবর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের এক আদেশে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ শাহজাদী মাহমুদাকে শেরপুরে বদলি করা হয়। একই আদেশে শেরপুরের মাকসুদা ইয়াসমিনকে জামালপুরে পদায়ন করা হয়। এ আদেশের পর থেকেই তা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।