মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Sunday, 25 October 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
23 October 2026
অন্যান্য

‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করা সেই আবু বকর কারাগারে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফরকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করার ঘটনায় গ্রেপ্তার আবু বকর সিদ্দিককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের এসআই ইয়াছিন পাইক আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে তিনি জানান, পরবর্তী সময়ে আসামির রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হবে।

এর আগে বুধবার গভীর রাতে রাজশাহীর পবা থানার কচুয়াতৈল এলাকার বাসা থেকে আবু বকর সিদ্দিককে আটক করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। পরে তাঁকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের এসআই মানিক হোসেন বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে সামরিক বিমানে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখান থেকে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) একটি বাসে করে নগরীতে প্রবেশ করেন তিনি। পরে ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দেন। জনসভা শেষে দুর্গাপূজা উপলক্ষে একটি মন্দির পরিদর্শন করে একই বাসে বিমানবন্দরে ফিরে যান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে ‘দ্য বিউটি অব রাজশাহী’ নামের একটি ফেসবুক পেজে তাঁর ব্যবহৃত বাসের ছবি দিয়ে পোস্ট করা হয়। সেখানে বাসটি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে ‘এমডি আবু বকর সিদ্দিক’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লেখা হয়, ‘ইস একটা বড় সুযোগ ছিল। শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল।’

মন্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ওই মন্তব্যের সূত্র ধরে আবু বকর সিদ্দিককে শনাক্ত করে। এরপর তাঁকে আটক করে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।