মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Saturday, 24 October 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
24 October 2026
অন্যান্য

দীর্ঘ ১৫ বছর পর নিজস্ব জমিতে কার্যালয় পেল শাহবন্দেগী ইউনিয়ন পরিষদ

দীর্ঘ ১৫ বছর পর অবশেষে নিজস্ব জমিতে তৈরি অস্থায়ী কার্যালয় পেল বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ১০ নম্বর শাহবন্দেগী ইউনিয়ন পরিষদ। চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের উদ্যোগে এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় কেনা ২৬ শতাংশ জমিতে এ কার্যালয় নির্মাণ করা হয়।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১১টায় নতুন কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে এক উদ্বোধন ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শাহবন্দেগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে এবং ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম কামরুল ইসলাম ও ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদুজ্জামান হিমু।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান হারেজ, জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা ও শেরপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র জানে আলম খোকা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবলু, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিন্টু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা দবিবুর রহমান, শাহবন্দেগী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই সিদ্দিকী হেলাল, সাধারণ সম্পাদক জিয়া, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফুর রহমান ও জামায়াতের আমীর মাওলানা কাওছার আলী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শাহবন্দেগী ইউনিয়ন বর্তমানে শেরপুর উপজেলার অন্যতম প্রধান ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। তবে অপরিকল্পিতভাবে চাতাল ও ঘরবাড়ি নির্মাণের কারণে এলাকার সামগ্রিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারি কর্তৃপক্ষের উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতনতা ও সহযোগিতা জরুরি। একই সাথে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে দ্রুত এ সমস্যা সমাধানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা। এছাড়া একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী ভবনের ব্যবস্থা করতে সরকারের কাছে জোর দাবি জানানো হয়। ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরে জানানো হয়, ২০০৬ সালে শাহবন্দেগী ইউনিয়ন গেজেটভুক্ত হলেও ২০১১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এর কার্যক্রম শুরু হয়।

স্থায়ী ভবন না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া করা ও অস্থায়ী বিভিন্ন ভবনে পরিষদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। ২০২১ সালে হাওয়াখানা এলাকায় অবস্থানকালীন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের আহ্বানে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় ২৬ শতাংশ জমি কেনা হয়। সেই নিজস্ব জমিতেই নির্মিত এই নতুন কার্যালয় থেকে স্থায়ী ভবন না হওয়া পর্যন্ত পরিষদের প্রশাসনিক ও নাগরিক সেবা প্রদান করা হবে। দীর্ঘদিন পর নিজস্ব জায়গায় দাপ্তরিক ঠিকানা পাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে নতুন আশা তৈরি হয়েছে।

এখন তাঁদের একটাই দাবি দ্রুততম সময়ে এখানে সরকারি অর্থায়নে একটি আধুনিক ও স্থায়ী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ করা হোক, যাতে নাগরিক সেবা আরও গতিশীল হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সকল ইউপি সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুস সাত্তার।