মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Tuesday, 03 November 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
01 November 2026
অন্যান্য

গার্মেন্টসের অস্থিরতায় সীমান্তের ওপার থেকে ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তৈরি পোশাক খাতে চলমান অস্থিরতার পেছনে সীমান্তের ওপার থেকে ইন্ধন জোগানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে মুখোশধারীরা ঢুকে নিজেদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার চেষ্টা করছে।

রোববার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে যেসব তথ্য আছে, সেগুলো বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। নিরীহ গার্মেন্টস শ্রমিকদের ব্যবহার করে অনেকেই সীমান্তের ওপার থেকে ইন্ধন জোগাচ্ছে। যাতে এখানে অস্থিরতা সৃষ্টি করা যায়, আমাদের রপ্তানি বাণিজ্য ও গার্মেন্টসের উৎপাদন ব্যাহত করা যায়।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিরীহ পোশাকশ্রমিকদের ব্যবহার করে দেশের রপ্তানি বাণিজ্য ও উৎপাদন ব্যাহত করার ষড়যন্ত্র চলছে। সরকার এ ধরনের অপতৎপরতা কঠোর হাতে মোকাবিলা করবে। সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের ইতোমধ্যে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ ধরনের অপতৎপরতা ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, চলমান সহিংস আন্দোলনের সঙ্গে প্রকৃত শ্রমিক বা শ্রমিক সংগঠন জড়িত নয় বলে সরকার মনে করে। শ্রমিকদের দাবিদাওয়া আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ রয়েছে। তাঁদের প্রতিনিধিদের নাম দেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ডের মাধ্যমেই শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা এবং তাঁদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিতে মজুরি বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি দেশের উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়ে পদক্ষেপ নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

গার্মেন্টস মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সব কারখানা ও উৎপাদন কার্যক্রম চালু রাখতে হবে। কোনোভাবেই রপ্তানি সংকট তৈরি হয়, এমন পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। মালিকদের শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কোনো কারণে মালিকেরা হয়তো সাময়িকভাবে কারখানা বন্ধ রেখেছেন। তবে আশা করা হচ্ছে, আজকের মধ্যেই পরিস্থিতির অবসান হবে।