06 November 2026
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন নিয়ে নতুন নির্দেশনা বিআরটিএর

ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে আবেদনকারীদের দুটি ধাপের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। প্রথমে শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হয়। এরপর প্রশিক্ষণ নিয়ে লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যায়।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করতে প্রথমে বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে (বিএসপি) একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র জমা দিয়ে শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে।
শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের আবেদন ও ফি
লার্নার লাইসেন্সের আবেদনের সময় চিকিৎসা সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইউটিলিটি বিল এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অনলাইনে জমা দিতে হবে।
এ ক্ষেত্রে এক ক্যাটাগরির লাইসেন্সের জন্য ফি ৫১৮ টাকা এবং দুই ক্যাটাগরির লাইসেন্সের জন্য ৭৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া
শিক্ষানবিশ লাইসেন্স পাওয়ার পর আবেদনকারীকে নির্ধারিত প্রশিক্ষণ নিতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। তিনটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যাবে।
চূড়ান্ত লাইসেন্সের আবেদনও বিআরটিএর বিএসপি পোর্টালের মাধ্যমে করতে হবে। বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি ৪ হাজার ৬২৮ টাকা এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি ২ হাজার ৮৩২ টাকা।
তবে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীদের ডোপ টেস্টের সনদ জমা দিতে হবে। আবেদন অনুমোদিত হলে আবেদনকারী ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন।
বিআরটিএ আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত ফির বাইরে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হবে।
