মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Wednesday, 19 August 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
25 June 2026
অন্যান্য

চীন সফরে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর চলমান চীন সফর বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী জানান, চীনের শিল্প, অবকাঠামো ও সেবা খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলার। এ বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রীর সফর দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদার করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, চীনে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিশ্বনেতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে বাংলাদেশের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুতের প্রায় ২০ শতাংশ সৌরশক্তি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

রিজভীর মতে, চীন অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে না এবং বর্তমান সরকারের কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডে বহুমুখী পররাষ্ট্রনীতির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের সূচিত স্বাধীন ও বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতির ধারাই অনুসরণ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে পরিচালিত পররাষ্ট্রনীতি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংবাদ সম্মেলনে দেশের অর্থনৈতিক বিষয়েও কথা বলেন রিজভী। তিনি সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নীতিনির্ধারণের আহ্বান জানান। মুদির দোকানকে ভ্যাটের আওতায় আনার প্রস্তাবের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আয় সীমিত হওয়ায় তাদের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপানো উচিত নয়। তবে কর দেওয়ার সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যারা করের বাইরে রয়েছেন, তাদের কর ব্যবস্থার আওতায় আনার পক্ষে মত দেন তিনি।

রিজভী বলেন, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েই সরকার পরিচালিত হবে। নানা ষড়যন্ত্র ও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বিএনপির জনপ্রিয়তা অটুট রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, কলকাতায় অবিভক্ত বাংলার শেষ প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের জাতীয় নেতা হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দীর নামে একটি সড়ক ছিল। সেই নাম পরিবর্তন করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের কোনও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি উল্লেখ করে রিজভী বলেন, উপমহাদেশের একজন খ্যাতিমান নেতার নামে থাকা একটি সড়কের নাম পরিবর্তন করা রুচিবিরোধী কাজ। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ভারতের বিভিন্ন নেতার নামে প্রতিষ্ঠানের নাম এখনও বহাল রয়েছে এবং বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে শিষ্টাচারের পরিচয় দিয়েছে।