মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Wednesday, 19 August 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
25 June 2026
অন্যান্য

কালীগঞ্জে টেকসই ও সবুজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়কে আরও সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে “সাসটেইনেবল ক্যাম্পাস ইনিশিয়েটিভ (এসসিআই)” শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৫ জুন) সকাল ১০টায় কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী এলাকার মেঘবাড়ী রিসোর্টে এ কর্মশালার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন, কালীগঞ্জ। কর্মশালার প্রতিপাদ্য ছিল, “Building Green, Safe and Sustainable Primary Schools”।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ.টি.এম কামরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. শেখ তাহমিনা আওয়াল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার।

দিনব্যাপী এ কর্মশালায় টেকসই ক্যাম্পাস কাঠামো, সবুজ বিদ্যালয় কার্যক্রম, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার পরিবেশ, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দলে ভাগ করে আলোচনা এবং উপস্থাপনার আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে পরিবেশবান্ধব, নিরাপদ ও শিক্ষার্থীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার জন্য প্রয়োজনীয় ধারণা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা বিদ্যালয় পর্যায়ে বাস্তবায়নযোগ্য বিভিন্ন পরিকল্পনা ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের সামনে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়।

পরে পাঁচটি পৃথক ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত বিজয়ী প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র এবং ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। আয়োজকরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোতে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

অংশগ্রহণকারীরা কর্মশালার আয়োজনকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।