মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Friday, 26 June 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
25 June 2026
অন্যান্য

কুমিল্লায় ওসিসহ ৬ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

কুমিল্লার বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ৬ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বুড়িচং উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের ইকবাল হোসেনের স্ত্রী লিজা আক্তার (৩০) বাদী হয়ে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর আদালতে বুধবার বিকালে মামলাটি দায়ের করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাত হোসাইন। মামলার বিবাদীরা হলেন- বুড়িচং থানার ওসি মোহাম্মদ লুৎফর রহমান, থানার অধীন দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সুরেজিত বড়ুয়া, এএসআই মো. ফরহাদ মিয়া, এটিএসআই সামসুজ্জামান, সদস্য মো. ফোরকান উদ্দিন ও মো. সাইদুর রহমান। এছাড়াও এ মামলায় ওই উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের আবদুল মান্নান, রবিউল হাসান, শিউলী আক্তার, শিল্পী আক্তার, মো. আক্তার হোসেন এবং পুলিশের বিভিন্ন পদবীর অজ্ঞাতনামা আরও ৭/৮ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। আদালত ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদী লিজা আক্তারের স্বামী ইকবাল হোসেনের সাথে তার ভাই মান্নানের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ৩ জুন রাতে মান্নানের লোকজন ইকবাল ও তার ভাই জালাল উদ্দিনের ওপর হামলা চালায়।

এ ঘটনায় ইকবাল গুরুতর আহত হয়। পরে পুলিশ ওই রাতেই বাড়িতে গিয়ে ইকবাল ও জালালকে না পেয়ে দুই শিশু সন্তানসহ লিজা আক্তার ও তার ননদ শেফালী আক্তারকে গ্রেফতারী পরোয়ানা ব্যতিত ও মহিলা পুলিশ ছাড়া প্রতিপক্ষ বিবাদীদের সহযোগীতায় টানাহেচড়া করে তুলে নিয়ে যায়। পুলিশ তাদের সারারাত গাড়িতে করে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরিয়ে ভোরে থানায় হাজির করে। তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনসহ অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করে এবং ওই রাতে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ এনে দায়ের করা একটি মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়। এ মামলায় ১০ দিন কারাভোগের পর জামিনে বের হলে দুই শিশু সন্তানসহ তাদেরকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বৃহস্পতিবার বিকালে বাদীপক্ষের অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাত হোসাইন সাংবাদিকদের বলেন, নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন ২০১৩ এর ১৫(১), ১৫(৩)সহ পেনালকোডের অন্যান্য ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। আদালতে শুনানী এবং বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে, তবে এখনো আদেশ হয়নি।