26 June 2026
কালীগঞ্জে ৯৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্মার্ট বোর্ড, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং শিক্ষার্থীদের শারীরিক বিকাশ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্মার্ট বোর্ড, সাংস্কৃতিক সামগ্রী, পানির ফিল্টার ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মোট ৯৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল স্মার্ট বোর্ড, ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক সামগ্রী, ৩৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশুদ্ধ পানীয় পানি নিশ্চিত করতে পানির ফিল্টার এবং ৪১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
স্মার্ট বোর্ড পেয়েছে বক্তারপুর ইউনিয়নের খেকড়া উচ্চ বিদ্যালয়, নাগরী ইউনিয়নের পানজোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের বেগম রাবেয়া আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয়, জামালপুর ইউনিয়নের চুপাইর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং মোক্তারপুর ইউনিয়নের নোয়াপাড়া মজেজ উদ্দিন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়।
এছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নের নির্বাচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হারমোনিয়াম, তবলা, বংশীসহ সাংস্কৃতিক সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদরাসা ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ ৩৮টি প্রতিষ্ঠানে পানির ফিল্টার সরবরাহ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে ৪১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রিকেট সেট ও ফুটবল প্রদান করা হয়েছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ টি এম কামরুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান সরকার শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে স্মার্ট বোর্ড বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের সৃজনশীল বিকাশ, সাংস্কৃতিক চর্চা, খেলাধুলা এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সাংস্কৃতিক সামগ্রী, ক্রীড়া উপকরণ ও পানির ফিল্টার সরবরাহ করা হয়েছে। এসব উপকরণের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হলে শিক্ষার্থীরা আরও দক্ষ, সৃজনশীল ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।”
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও পরিচালনা কমিটিকে বিতরণকৃত সামগ্রীর সঠিক ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সরকারের এই উদ্যোগ শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও শিক্ষা উন্নয়নে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
