মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Saturday, 27 June 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
26 June 2026
অন্যান্য

পাংশায় সংঘর্ষে নিহতের পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি পরিদর্শন করলেন এমপি

রাজবাড়ীর পাংশায় দুই গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষে নিহত জামির বিশ্বাসের কবর জিয়ারত, তাঁর পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা প্রদান এবং সংঘর্ষ-পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর বাড়িঘর পরিদর্শন করেছেন রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদ।

শুক্রবার পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা-মাজাইল গ্রামে নিহত জামির বিশ্বাসের কবর জিয়ারত করেন তিনি। পরে তাঁর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের প্রতি সমবেদনা জানান। এ সময় তিনি জামির বিশ্বাস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

এরপর এমপি হারুন অর রশিদ সংঘর্ষ-পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত কশবা-মাজাইল গ্রামের বিভিন্ন বাড়িঘর পরিদর্শন করেন। তিনি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। এ সময় উদ্ধার করা ১৮টি গবাদি পশু প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম মিয়া, পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিফাতুল হক, পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম, পাট্টা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আকিদুল ইসলাম, পাংশা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম রিংকু, পৌর বিএনপির সভাপতি বাহারাম সরদার, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, পাট্টা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিশ্বাস, রাজবাড়ী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব তুহিনুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি শামীম আহম্মেদ রুবেলসহ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

উল্লেখ্য, গত রোববার (২১ জুন) সকালে পাংশা উপজেলার দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন জামির বিশ্বাস। পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর পর এলাকায় প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ওঠে, যাতে শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।