27 June 2026
সাংবাদিক আলমকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ তাহিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের

তাহিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাব দৈনিক ইত্তেফাক, শ্যামল সিলেট ও লাউড় বিডি নিউজ ২৪ ডটকম-এর তাহিরপুর প্রতিনিধি, সম্পাদক ও প্রকাশক আলম সাব্বিরকে নিয়ে স্থানীয় একটি কুচক্রী মহলের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মানহানিকর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
জানা যায়, আলম সাব্বির দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি শাহ আরেফিন দারুল কোরআন এবতেদায়ী মাদ্রাসার সভাপতি, শাহ আরেফিন বালি ও পাথর সমিতির সভাপতি, লাউড়ের গড় প্রতিশ্রুতি যুব উন্নয়ন সমিতির সভাপতি, লাউড়েরগড় ফুটবল ফেডারেশন-এর সাধারণ সম্পাদক এবং হযরত শাহ আরেফিন (রহ.) এর ওরস পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব, পাশাপাশি ভলান্টিয়ার ও খাদেম কল্যাণ কমিটির সভাপতির দায়িত্বে আছেন।
আলম সাব্বির জানান, হযরত শাহ আরেফিন (রহ.) পরিচালনা কমিটির বিগত ২২ বছরে তিনি অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং তার কাছে বিগত বছরের প্রতিটি হিসাব সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও সংরক্ষিত রয়েছে। সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন পোর্টালে "লাউড়ের গড় আস্তানায় দানবাক্স তৈরি করে বছরে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাৎ" শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। গত ২৭ জুন শাহ আরেফিন আস্তানায় এক মানববন্ধনে লাইভে এসে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শুধুমাত্র সাংবাদিক আলম সাব্বিরের নৈতিক চরিত্র স্খলনের উদ্দেশ্যে কোনো রকম তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই মৌখিকভাবে তাকে মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী বানিয়ে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, যা তার সম্মানহানি ঘটিয়েছে।
আলম সাব্বিরের অভিযোগ, প্রতিপক্ষ একজন চিহ্নিত মাদকসেবীকে দিয়ে তাকে ইয়াবা ব্যবসায়ী, ইয়াবাখোর, মাদকসেবী ও প্রতারক করে যে বক্তব্য প্রদান করা হয়েছে, তা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। তিনি জানান, প্রতিপক্ষ পুরান লাউড় গ্রামের জসিম উদ্দিন ২০২১ সালে শাহ আরেফিন (রহ.) আস্তানা সংক্রান্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে প্রথমে শাহ আরেফিন (রহ.) এর সাবেক সভাপতি হাজী জালাল উদ্দিনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে সুবিধা করতে না পেরে তাকে ও হাজী নুরুল আমিন সাহেবসহ ৪ জনকে অভিযুক্ত করে উপজেলা অফিসার বরাবর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেন। এসব করেও কিছু করতে না পেরে দানবাক্সে তালা ঝোলানো হয়, যা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে খুলে দেওয়া হয়। পরবর্তী আশঙ্কায় প্রতিপক্ষ জসিমের বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করে রাখা হয়।
আলম সাব্বির দাবি করেন, প্রতিপক্ষের সাজানো বক্তব্য সম্পূর্ণ বানোয়াট ও চরম উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একটি সুবিধাবাদী চক্র তাকে সদস্য সচিব পদ থেকে সরিয়ে স্বার্থ হাসিল করার জন্য সাংবাদিক ও কিছু অনুগত লোকদের অনৈতিক সুবিধা দিয়ে এই মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। এটি একজন সংবাদকর্মীর নৈতিক স্খলন করেছে। তারা সত্যকে এড়িয়ে গিয়ে প্ররোচিত হয়ে তাকে অর্থ আত্মসাৎকারী উল্লেখ করে যে সংবাদ ও বক্তব্য প্রদান করেছেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করেছেন, তা মানহানিকর।
এর প্রতিবাদে গত ২৭ জুন শনিবার বিকেলে তাহিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যালয়ে এক সভায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাব সভাপতি নরেন্দ্র নারায়ণ বৈশাখ, সহ-সভাপতি কামাল হোসেন রাফি, সাধারণ সম্পাদক আলম সাব্বির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ভুইয়া, আতিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ কবির, আবু জাহান তালুকদার, শামসুল আলম আখঞ্জি, দপ্তর সম্পাদক রুকন উদ্দিন, অর্থবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আলিম, যুব ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম, সদস্য আবুল কাশেম, রাজন চন্দ, মবিনুর মিয়া, বাবুল মিয়া প্রমুখ।
