মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Tuesday, 30 June 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
29 June 2026
অন্যান্য

২শ প্রতিষ্ঠানের কাতারে আসছে ঢাবি, হচ্ছে ২০ বছরের একাডেমিক পরিকল্পনা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষ ২০০ একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের কাতারে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রতিষ্ঠানটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এ লক্ষ্য অর্জনে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক প্ল্যান (২০২৬–২০৪৬)’ প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সিনেট অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২৫তম বর্ষকে সামনে রেখে প্রণীত এই ২০ বছর মেয়াদি পরিকল্পনার মূল দর্শন— “অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্ভাবন ও নৈতিক নেতৃত্বের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতিষ্ঠান হওয়া”। এটি আগামী দুই দশকে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে একটি কৌশলগত ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের জন্য পাঁচটি ধাপ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৬–২০২৮ সাল পর্যন্ত ওনারশিপ ফেজে অংশগ্রহণ ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা হবে। ২০২৮–২০৩৩ সালে অ্যাক্সেলারেশন ফেজে কাঠামোগত অগ্রগতি ত্বরান্বিত করা হবে। ২০৩৩–২০৩৮ সালে ট্রান্সফরমেশন ফেজে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা হবে। ২০৩৮–২০৪৩ সালে রেনেসাঁ ফেজে জ্ঞান ও উদ্ভাবনের পুনর্জাগরণ ঘটানো হবে। সর্বশেষ ২০৪৩–২০৪৬ সালের ইন্সপিরেশন ফেজে বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনুপ্রেরণার প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়া হবে।

উপাচার্য আরও জানান, পরিকল্পনাটি ১১টি কৌশলগত স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— নেতৃত্ব, গবেষণা ও উদ্ভাবন, শিক্ষা আধুনিকায়ন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, সরকার-শিল্প-বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক উৎকর্ষ, নৈতিক ও মানবিক ক্যাম্পাস সংস্কৃতি, অন্তর্ভুক্তি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ।

তিনি বলেছেন, লক্ষ্য হলো এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা যেখানে গবেষণা হবে কেন্দ্রীয় শক্তি, শিক্ষা হবে ভবিষ্যতমুখী, প্রশাসন হবে দক্ষ এবং উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন হবে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।

উপাচার্য আশা প্রকাশ করে বললেন, এই পরিকল্পনা শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং দেশের অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানও এটিকে একটি কার্যকর টেমপ্লেট হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে, যা জাতীয় উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।