মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Tuesday, 30 June 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
29 June 2026
অন্যান্য

পঞ্চগড়ে ইউএনও’র বিরূদ্ধে চাকুরি দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা আফরোজ শাহিন খসরুর বিরূদ্ধে উপজেলার এক তরুনকে গ্রাম পুলিশে চাকুরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার মা রেহেনা বেগম উর্মির কাছ থেকে ১লাখ ৮০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ উঠেছে। তবে বিষয়টি সাজানো পরিকল্পিত বলে দাবী করেছেন ইউএনও আফরোজ শাহিন খসরু। ঘুষের টাকা চাইতে গিয়ে টাকা ফেরত না পেয়ে ঘুষের টাকা ফেরত পেতে সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই নারী।

লিখিত অভিযোগ এবং রেহেনা বেগমের বক্তব্যে জানা গেছে গত বছর ২০২৫ সালে সংসারে আয় উপার্জনকারী না থাকায় অর্থাভাবে সংসার খরচ চালাতে ব্যার্থ হয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা আফরোজ শহিন খসরুর কার্য্যালয়ে গিয়ে সাহায্যের জন্য দেখা করেন রেহেনা বেগম উর্মি । কথাবার্তার এক পর্যায়ে রেহেনা বেগমের ছেলেকে গ্রাম পুলিশের চাকুরি দেওয়ার প্রস্তাব দেন তবে এর বিনিময়ে তিন লাখ টাকা ঘুষ দাবী করেন ইউএনও খসরু । এ সময় রেহেনা বেগম তার ছেলেকে গ্রাম পুলিশে চাকুরির জন্য তিন লাখ টাকা প্রদানে সম্মত হয়। পরে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ইউএনও’র কার্য্যালয়ে গিয়ে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা আফরোজ শাহিন খসরুর নিকট প্রদান করেন রেহেনা বেগম। বাকি টাকা চাকুরিতে যোগদানের পর দিবেন বলে রেহেনা বেগম জানান।

এদিকে ২৯ জুন সোমবার সকালে রেহেনা বেগম খবর পায় তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা আফরোজ শাহিন খসরু বদলি হয়েছেন । উপায় ন পেয়ে রেহেনা বেগম সোমবার দুপুরে টাকা ফেরত নিতে ই্উএনও’র নিকট গিয়ে টাকা ফেরত চাইলে ইউএনও আফরোজ শাহিন খসরু বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং ওই নারীকে চিনেনা বলেও জানান ইউএনও। এভাবে তেঁতুলিয়া উপজেলা চত্তরে ইউএনও এবং রেহেনা বেগমের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রেহেনা বেগম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক লাইভে আসেন । পরে রেহেনা বেগমের লাইভে বেশ কিছু মানুষ প্রতিক্রিয়া জানায় এবং লাইভটি ছড়িয়ে পড়ে। রেহেনা বেগমের ভাষ্য ঘুষের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে অপমানিত হয়েছেন এবং অভিযুক্ত তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা আফরোজ শাহিন খসরু তাকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আটকের ভয় দেখিয়েছেন এবং রেহেনা বেগমের ছোট ছেলেকে আটক করে এক পর্যায়ে ছেড়ে দিয়েছেন। বর্তমানে আমি আতঙ্কগ্রস্থ ভয়ে নিরাপত্তাহীনতায় আছি। উপায় না পেয়ে আমার ধার দেনা করে ঘুষ দেওয়া টাকা ফেরত পেতে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

অভিযুক্ত তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা আফরোজ শাহিন খসরু মুঠোফোনে সাংবাদিকদের জানান আসলে ওই নারীকে আমি চিনতে পারছিনা। আমার বিরূদ্ধে কেউ ষড়যন্ত্র করে ঘুষ দেওয়ার নাটক সাজাতে পারে কি না যাচাই বাছাই করছি। ওই নারীর সাথে আমার কখনো দেখা বা কথা হয়নি। আর যে নিয়োগের কথা বলছে সে নিয়োগটি বাতিল করেছি। ওই নারীর ছেলের নামে কোন আবেদনও নেই।