মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Monday, 27 July 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
02 July 2026
অন্যান্য

শিবির নেতা হত্যা মামলার প্রধান আসামি যুবদলের সেই বহিষ্কৃত নেতা গ্রেপ্তার

গাইবান্ধার বহুল আলোচিত ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোকলেসুর রহমান মুকুলকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর সোমবার রাতে পুলিশের একটি বিশেষ দল তাকে গ্রেপ্তার করে। তবে তদন্তের স্বার্থে তাকে কোথা থেকে এবং কীভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে মুখ খুলছে না পুলিশ। এ নিয়ে আলোচিত এ হত্যা মামলায় মোট পাঁচজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলো।

বিডি২৪লাইভ'কে রাত সোয়া ১২টার দিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম। তিনি বলেন, “মুকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই গ্রেপ্তারের স্থান বা অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।”

গ্রেপ্তার হওয়া মোকলেসুর রহমান মুকুল সদ্য বহিষ্কৃত বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি। তিনি সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে।

মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, মূল আসামিকে গ্রেপ্তারের অভিযান চলমান ছিল। অভিযান সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া চারমাথা এলাকায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ধারালো অস্ত্রের হামলায় বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

নিহত সাইফুল্লাহ বারী বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি, শিমুল তাইর গোরস্থানপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান মওলানার ছেলে এবং রংপুর ধাপের সাতগড়া মডেল কামিল মাদরাসার আল-কুরআন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

একই হামলায় গুরুতর আহত হন সাইফুল্লাহর বন্ধু সালাউদ্দিন, যিনি বোনারপাড়া ইউনিয়নের ফুটানি বাজার এলাকার দুদু মিয়ার ছেলে এবং জামায়াতে ইসলামীর কর্মী। তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ২২ জুন রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ২২ জুন রাতে নিহতের বাবা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে সাঘাটা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ছয়জনকে নামীয় এবং ১৪ থেকে ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। সেই মামলার প্রধান আসামি ছিলেন মুকুল। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যা মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।