মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Thursday, 09 July 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
08 July 2026
অন্যান্য

পঞ্চগড়ে রক্তের ভূল গ্রুপিং, বিপাকে রক্তশুন্যতা রোগী

পঞ্চগড়ের মকবুলার রহমান ডায়াবেটিক হাসপাতালে ডায়াবেটিস ও রক্ত শুন্যতা রোগীর ভূল রক্ত গ্রুপিংয়ের শিকার হয়েছে হালিমা খাতুন নামে এক ডায়াবেটিস রোগী।

এতে করে ডায়াবিটিক হাসপাতালে ওই রোগীর রক্তের গ্রুপিংয়ে ও পজেটিভ রিপোর্ট দেওয়া হলেও ক্রস মেসিংয়ে বন্ধন ব্লাড ব্যাংক এবং দেশ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনেস্টিক সেন্টারে এবি পজেটিভ সনাক্ত করা হয়।

এতে করে রোগীর স্বজনরা ক্ষুব্ধ হয় এবং হালিমা খাতুন ওই রোগী বিপাকে পড়েছেন। স্থানীয়রা বলছেন ডায়াবেটিক স্বাস্থ্য সেবার মান খারাপ এবং অহরহ ঘটছেন নানা ঘটনা হয়রানীর শিকার হচ্ছেন কেউ কেউ। দীর্ঘদিন এমন অবস্থা বিরাজ করলেও নীরব স্বাস্থ্য বিভাগ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে পঞ্চগড় ডায়াবেটিক হাসপাতালটি জেলার ডায়াবেটিক রোগীদের একমাত্র ভরসা। প্রতিদিনই ২৫০-৩০০ রোগী সেখানে ডায়াবেটিক রোগের চিিিকৎসা নিতে আসে। গত ০২ জুলাই হালিমা খাতুন নিয়মিত চিকিৎসার জন্য পঞ্চগড় ডায়াবেটিক হাসপাতালে যায়।

বর্তমানে হালিমা খাতুনের শরীরে রক্ত কমে যাওয়ায় ডা. নাইমের পরামর্শে জরুরী ভিত্তিতে রক্ত গ্রহনের পরামর্শ দেন তিনি। পরে আজ ০৮ জুলাই বুধবার সকালে জেলা শহরের প্রাইম ক্লিনিকে রক্ত গ্রহনের জন্য যায় হালিমা খাতুন ।

এ সময় প্রাইম ক্লিনিক রক্তের ক্রস মেসিং করার পরামর্শ দেন পরে বন্ধন ব্লাড ব্যাংক থেকে জানানো হয় রোগীর রক্তের গ্রুপ ও পজেটিভ নয় হালিমার রক্তের আসল গ্রুপ আসলে এবি পজেটিভ পরে হালিমা খাতুনের স্বজনরা রক্তের গ্রুপ নিশ্চিতের জন্য দেশ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনেস্টিক সেন্টারে গিয়ে আবারও রক্তের গ্রুপ নির্নয় করে জানায় হালিমার রক্ত এবি পজেটিভ। দিনভর হয়রানীর শিকার হয় রক্তের গ্রুপ নির্নয়ের জন্য বলে অভিযোগ করে রোগীর স্বজনরা।

হালিমা খাতুনের মেয়ে শিউলি আক্তার ক্ষুব্ধ হয়ে জানান আমি মায়ের রক্তের গ্রুপ নিয়ে বিপাকে পড়েছি। কারন ডায়াবেটক হাসপাতালের মত প্রতিষ্ঠানে ভূল রক্তের গ্রুপ নির্নয় করছেন। শুধুমাত্র রক্তের গ্রুপের রিপোর্টিংয়ে যদি ভূল হয় তাহলে বাকি স্ব্স্থ্যা পরিক্ষার রিপোর্ট কি হবে?

বক্তের গ্রুপ নির্নয় কারী আবু বাসার জানান আসলে আমার ভূল হয়েছে। আমি আপনার সাথে দেখা করবো। এ বিষয় মকবুলার রহমান ডায়াবেটিক হাসপাতালের ল্যাব ইনচার্জ সাদেকুজ্জামান সোহেল জানান আসলে এটি কম্পিউটার মিসটেক।

পঞ্চগড় ডায়াবেটিক হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম খায়ের জানান ঘটনাটি শুনলাম। প্রশাসনিক বিষয় আমি একা এ বিষয়গুলো মনিটর করিনা।

ডায়াবেটিক হাসপাতাল বিষয়ে পঞ্চগড় সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান জানান সাংবাদিকদের মাধ্যমে ঘটনাটি জানলাম। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।