মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Monday, 10 August 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
14 July 2026
অন্যান্য

পঞ্চগড়ে বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে দুই শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণ, অভিযুক্ত আটক

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় বাড়িতে ডেকে নিয়ে বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে পাঁচ ও ছয় বছর বয়সী দুই শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় আমিনুল ইসলাম (৪৫) নামে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে সোমবার রাতেই গ্রেপ্তার করেছে বোদা থানা পুলিশ। ভূক্তভোগী দুই শিশু প্রতিবেশী। এঘটনায় থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী দুই শিশু অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ‘দাদু’ বলে ডাকত। এই সুবাদে তারা মাঝেমধ্যে ওই ব্যাক্তির বাড়িতে খেলতে যেত। বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত ব্যাক্তি কৌশলে বিস্কুট খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশুদের বিভিন্ন সময়ে নিজের বসতবাড়ির শয়নকক্ষে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর শিশুদের কান্না না করতে এবং পরিবারদের সদস্যদের না জানাতে বলা হয়। যদি জানানো হয় তাহলে তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়।

গত শুক্রবার ও শনিবার ৬ বছর বয়সী এক শিশুকে এবং রবিবার একইভাবে ৫ বছর বয়সী অন্য এক শিশুকেও ওই ব্যাক্তি ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী এক শিশুর বড় আম্মা ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, শিশু দুটিকে অস্বাভাবিক কান্নাকাটি করতে দেখে তিনি জিজ্ঞাসা করেন। তখন ৬ বছর বয়সী শিশুটি ভয়ে কিছুই বলতে না পেরে শুধু কাঁদছিল। এরপর পাঁচ বছর বয়সী শিশুটি প্রচণ্ড ব্যথার কথা জানিয়ে পুরো ঘটনাটি খুলে বলে। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পরিবারের অন্য সদস্যদের জানানো হয় এবং পরে তাদের চিকিৎসার জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

এবিষয়ে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মাছুদ হাসান বলেন, গত রাতে দুই শিশুকে তাদের পরিবার ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। শারীরিক পরীক্ষার সময় তাদের শরীরে আঘাতের দাগ পাওয়া গেছে। আমরা প্রাথমিকভাবে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছি। শিশু দুইটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছে এবং শারীরিকভাবে সুস্থ আছে।

বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মো. আমিনুল ইসলামকে আটক করেছি। এ ঘটনায় থানায় দুইটি পৃথক মামলার এজহার দায়ের করা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে আসামীকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।