মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Monday, 10 August 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
15 July 2026
অন্যান্য

আজ চূড়ান্ত হতে পারে নবম পে স্কেল, যে হারে রাখা হলো বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেলের সুপারিশ চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে আজ বৈঠকে বসছে পুনর্গঠিত সচিব কমিটি। সকাল সাড়ে ৯টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে প্রস্তাবিত সুপারিশমালা চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী প্রথম থেকে ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ এবং ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। আজ সিদ্ধান্ত না হলে পরবর্তী বৈঠকে সুপারিশ চূড়ান্ত করে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

অর্থ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকেই নতুন পে স্কেলের মূল বেতন সরকারি কোষাগার থেকে পরিশোধ করা হবে। তবে সব ধরনের ভাতা আগামী অর্থবছরে দুই ধাপে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বর্তমানে চালু থাকা দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকার অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ ভাতা বাতিল হয়ে যাবে। কারণ, মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই ভাতার প্রয়োজনীয়তা থাকবে না।

এ বিষয়ে সাবেক অর্থসচিব মাহবুব আহমেদ বলেন, বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ। তার মতে, ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য ১৪০ শতাংশ এবং কর্মকর্তাদের জন্য ১০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব যৌক্তিক। অন্যথায় সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান বজায় রাখা এবং প্রশাসনে দক্ষতা ও সততা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ত।

তিনি আরও বলেন, বেতন বৃদ্ধির সঙ্গে মূল্যস্ফীতির সরাসরি সম্পর্ক নেই। অষ্টম পে স্কেল বাস্তবায়নের সময়ও উল্লেখযোগ্য মূল্যস্ফীতির প্রভাব দেখা যায়নি। তাই এ নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগের কারণ নেই। সরকারের বাজেট সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়েই নতুন পে স্কেলের কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। আর্থিক চাপ কমাতে ভাতার অংশ ধাপে ধাপে পরিশোধের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

আজকের বৈঠকে সুপারিশমালা চূড়ান্ত হলে তা দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত অনুমোদনের পর বিষয়টি মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাওয়ার পর অর্থ বিভাগ নবম পে স্কেলের আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করবে। প্রয়োজন হলে এর আগে খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের জন্যও পাঠানো হতে পারে।