মূল খবরে ফিরে যান
যা দেখছেন, PDF-এও সেটাই থাকবে। প্রিন্ট ডায়ালগে “Save as PDF” বেছে নিন।
Sunday, 21 June 2026
খেলা
banglabrief.com/
সংস্করণ
20 June 2026
খেলা

হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিলের দাপুটে জয়, ঢাবিতে উচ্ছ্বাসের ঢেউ

বিশ্বকাপ শুধু একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়, বাংলাদেশের কোটি মানুষের কাছে এটি আবেগ, আনন্দ আর উৎসবের আরেক নাম। খেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে হাজার হাজার কিলোমিটার দূরের যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে, কিন্তু তার উত্তাপ পৌঁছে যাচ্ছে দেশের অলিগলি, চায়ের আড্ডা, পাড়া-মহল্লা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে এমনই এক বিশ্বকাপ-সকালের সাক্ষী হয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ব্রাজিল ও হাইতির ম্যাচ ঘিরে ভোর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ছিল বিশেষ উন্মাদনা। কেউ পরিবার নিয়ে টেলিভিশনের সামনে বসেছেন, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে বড় পর্দার আয়োজন করেছেন, আবার কেউ পাড়ার মোড়ে জড়ো হয়ে প্রিয় দলের খেলা উপভোগ করেছেন।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় ব্রাজিল। একের পর এক সুযোগ তৈরি করে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের স্বচ্ছন্দ জয় নিশ্চিত করে সেলেসাওরা। এই জয়ে প্রথম ম্যাচের হতাশা কিংবা সমর্থকদের শঙ্কা অনেকটাই দূর হয়ে যায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ছিল বিশ্বকাপের সেই রোমাঞ্চকর আবহ। টিএসসি এলাকায় বড় পর্দায় খেলা দেখার আয়োজন করা হয়, যেখানে শিক্ষার্থী ছাড়াও নানা বয়সী ফুটবলপ্রেমীরা উপস্থিত ছিলেন। খেলা যত এগিয়েছে, দর্শকদের উচ্ছ্বাসও তত বেড়েছে। প্রতিটি আক্রমণ, প্রতিটি গোল আর প্রতিটি সুযোগে করতালি ও উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

তবে আসল উদযাপন শুরু হয় ম্যাচ শেষের পর। রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই টিএসসি চত্বরে আনন্দের বিস্ফোরণ ঘটে। ‘ব্রাজিল, ব্রাজিল’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। হলুদ জার্সি পরিহিত সমর্থকেরা একে অপরকে অভিনন্দন জানান, কোলাকুলি করেন এবং আনন্দ প্রকাশ করেন নানাভাবে। অনেককে ভুভুজেলা বাজাতে এবং ছোট ছোট বিজয় মিছিল বের করতেও দেখা যায়।

বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরেই বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা প্রমাণ করেন, ফুটবল তাদের কাছে শুধু একটি খেলা নয়; এটি সংস্কৃতি, আবেগ এবং মিলনমেলারও একটি উপলক্ষ। ফিলাডেলফিয়ার মাঠে ম্যাচ শেষ হলেও তার আনন্দ-অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ে ঢাকার প্রাণকেন্দ্র টিএসসি থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।