মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি স্যার গ্যারি সোবার্স আর নেই এইমাত্রঅন্যান্য ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি স্যার গ্যারি সোবার্স আর নেই রক্তের বিনিময়ে হলেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ধরে রাখতে হবে: তথ্যমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য রক্তের বিনিময়ে হলেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ধরে রাখতে হবে: তথ্যমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ বাংলাদেশের, যে জবাব দিল ভারত এইমাত্রঅন্যান্য শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ বাংলাদেশের, যে জবাব দিল ভারত আসছে শতাব্দীর অন্যতম দীর্ঘতম সূর্যগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব এলাকায় এইমাত্রঅন্যান্য আসছে শতাব্দীর অন্যতম দীর্ঘতম সূর্যগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব এলাকায় গোপালপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও সম্মাননা প্রদান এইমাত্রঅন্যান্য গোপালপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও সম্মাননা প্রদান ২ মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত সেই চাচি গ্রেপ্তার এইমাত্রঅন্যান্য ২ মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত সেই চাচি গ্রেপ্তার বরগুনায় জোয়ারের পানি বেড়ে ডুবে গেছে ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে এইমাত্রঅন্যান্য বরগুনায় জোয়ারের পানি বেড়ে ডুবে গেছে ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে আগামী সপ্তাহে ৭ জেলায় বন্যার শঙ্কা এইমাত্রঅন্যান্য আগামী সপ্তাহে ৭ জেলায় বন্যার শঙ্কা
অন্যান্য

বরগুনায় জোয়ারের পানি বেড়ে ডুবে গেছে ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে

প্রতিবেদক:
বরগুনায় জোয়ারের পানি বেড়ে ডুবে গেছে ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে উত্তাল রয়েছে সমুদ্র। গত ২সপ্তাহ ধরে পায়রাসহ দেশের সব সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

লঘুচাপ ও বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা বরগুনার পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীর পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে দুই থেকে তিন ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বরগুনার গুরুত্বপূর্ণ বড়ইতলা ও পুরকাটা ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে সড়ক সম্পূর্ণ ডুবে গেছে। তলিয়ে যাওয়া রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত বিকল হচ্ছে যানবাহন। ফলে প্রতিদিন হাজারো পথচারীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ফেরিতে নিয়মিত যাতায়াত করা যাত্রীরা জানান, এই ফেরিঘাট থেকে প্রতি বছর সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব নেয়, অথচ জোয়ারের পানিতে যাতায়াতের রাস্তা ডুবে গেলেও কর্তৃপক্ষের কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই। তাদের দাবি, দ্রুত এই রাস্তাটি আরও উঁচু করে নির্মাণ করে যেন মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা হয়।

যাত্রীরা আরও জানান, জোয়ারের সময় এই সড়কটি দিয়ে চলাচল করা একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়ে। পুরুষরা কোনোমতে কষ্ট করে পার হতে পারলেও, বেকায়দায় পড়তে হয় নারী ও শিশুদের।যাত্রীদের চলাচলের সীমাহীন কষ্ট দূর করতে জেলা প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগীরা।